স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০২:০৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে পাকিস্তানকে ২ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বৃষ্টির কারণে ৪২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ২৫২ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। বৃষ্টি আইনে সমান রানের লক্ষ্য ছিল শ্রীলঙ্কারও। শেষ বলে গিয়ে রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় পায় লঙ্কানরা। এতে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর একই ভেন্যুতে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে তারা।

রান তাড়ায় নেমে মারমুখী শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কা। তাদের অবশ্য উইকেটও হারাতে হয় দ্রুতই। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে ৪ চারে ৮ বলে ১৭ রান করে কুশল পেরেরা হয়ে যান রান আউট, দলের রান তখন ২০। তারপর আরেক ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার সঙ্গী হন কুশল মেন্ডিস। দুজনের ৫৭ রানের জুটি ভাঙেন শাদাব খান।

এ স্পিনারের বলে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে ৪৪ বলে ২৯ রান করে ফেরেন নিশাঙ্কা। তবে কুশল একপ্রান্ত আগলে থাকেন, তার সঙ্গী হন সাদিরা সামারাবিক্রমা। তারা দুজন মিলে রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে থাকেন। দুজনের জুটি যখন ঠিক একশ রানে পৌঁছায়, তখনই আউট হন সামারাবিক্রমা।

৪ চারে ৫১ বলে ৪৮ রান করে সামারাবিক্রমা স্টাম্পিং হন ইফতেখার আহমেদের বলে। এরপর চারিথ আশালাঙ্কাকে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন মেন্ডিস। কিন্তু এই ব্যাটার এশিয়া কাপে দ্বিতীয়বারের মতো ‘নার্ভাস নাইন্টিজে’ আটকা পড়েন।

ইফতেখারের বল লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে ব্যাটের উপরের অংশে লাগে মেন্ডিসের, দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মোহাম্মদ হারিস। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৮৭ বলে ৯১ রানে আউট হয়ে যান।

এরপর ৪ বলে ২ রান করে অধিনায়ক দাসুন শানাকা আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। খেলা পুরো জমিয়ে তোলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শেষের আগের ওভারে টানা দুই বলে তিনি ফেরান ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ও চারিথ আশালাঙ্কাকে।

শেষ ওভারে ৮ রান দরকার হয় শ্রীলঙ্কার, স্ট্রাইকে ছিলেন না সেট ব্যাটার আশালাঙ্কাও। প্রথম বলে এক রান নেওয়ার পর দ্বিতীয়টিতে কোনো রান আসেনি। তৃতীয় বলে ফের এক রান নেন আশালাঙ্কা, চলে যান নন স্ট্রাইক প্রান্তে। পরের বলে দৌড়ে তিনি স্ট্রাইক প্রান্তে চলে যান, রান আউট হতে হয় সঙ্গী প্রামোদ মাদুশানকে।

তখন পুরো দায়িত্বটাই এসে পড়ে আশালাঙ্কার কাঁধে। শেষ দুই বলে জয়ের জন্য দরকার ছয় রান। জামান খানের করা পঞ্চম বল কিপার ও স্লিপের মাঝখান দিয়ে হয়ে যায় বাউন্ডারি। শেষ বলে দরকার দুই রান। প্যাডে আসা বল ডিপ স্কয়ার লেগে ঠেলে দিতে দুই রান নেন আশালাঙ্কা। উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো প্রেমাদাসা। ১১তমবারের মতো ফাইনালে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নবম পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের ৩ প্রস্তাব, সর্বনিম্ন বেতন যত

হাই তোলার সময় যা করতে বলেছেন নবীজি (সা.)

ক্রিকেটারদের ভারতে যাওয়া নিয়ে যে বার্তা দিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

গাজীপুরে ঝুট গোডাউনে ভয়াবহ আগুন

মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির

ভারতীয়দের পর্যটক ভিসা ‘সীমিত’ করল বাংলাদেশ

আইসিটি বিভাগের শ্বেতপত্র প্রকাশ

হরর সিনেমায় জ্যাজি বিটজ

রাজধানীতে তীব্র গ্যাসের সংকট কেন, জানাল তিতাস

দেশবিরোধী চক্র নতুন করে হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে : হেফাজত

১০

জকসুতে পরাজয়ের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালেন রাকিব

১১

ঢাকায় সবচেয়ে বড় অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত

১২

বিশেষ ছাড়ে জমজমাট ‘প্রাণ’ প্যাভিলিয়ন

১৩

ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর সিলিন্ডারের দাম কত চান ব্যবসায়ীরা?

১৪

যুক্তরাষ্ট্রে খালেদা জিয়ার নামে সড়ক

১৫

গোপালগঞ্জের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিমুল ঢাকায় আটক

১৬

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি : আসিফ নজরুল

১৭

মুক্তির অপেক্ষায় দক্ষিণী ৩ সিনেমা

১৮

রাত ১০টা পর্যন্ত গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

১৯

সিরিয়ায় কারফিউ, শহর ছেড়ে পালাচ্ছে হাজার হাজার বাসিন্দা

২০
X