

শেষ মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা পেলেও প্রস্তুতির ঘাটতি ও প্রশাসনিক জটিলতায় বড় চাপে পড়েছে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট দল। ভিসা জটিলতা, নির্দিষ্ট বিশ্বকাপ জার্সির অনুপস্থিতি এবং এখনো স্পন্সর নিশ্চিত না হওয়ায় টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে স্কটিশদের।
বিশেষ করে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পেসার সাফিয়ান শরিফসহ কয়েকজন খেলোয়াড়ের ভিসা প্রক্রিয়া এখন সময়ের বিরুদ্ধে দৌড়ের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভারতে পৌঁছাতে পারবে দল এমন আশাবাদ জানিয়েছেন ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী ট্রুডি লিন্ডব্লেড।
বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকেই স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডে ব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণ। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ সরে দাঁড়ানোর পর আইসিসি শনিবার স্কটল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে।
র্যাঙ্কিংয়ে টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়া দলগুলোর মধ্যে এগিয়ে থাকায় স্কটল্যান্ডকে এই সুযোগ দেয় আইসিসি। এরপর থেকেই সংস্থার প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ পাওয়ার পর ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের কর্মকর্তারা টানা কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
ভিসা ছাড়াও প্রস্তুতির আরেক বড় সংকট হচ্ছে নতুন বিশ্বকাপ কিট ও স্পন্সর। নির্দিষ্ট বিশ্বকাপ জার্সি এখনো হাতে আসেনি এবং বড় কোনো স্পন্সরও চূড়ান্ত হয়নি। স্কটিশ বোর্ড দ্রুত একজন প্রধান স্পন্সর যুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। হাতে সময় খুবই সীমিত—মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে এসব বিষয় চূড়ান্ত করতে হবে।
সবকিছু সময়মতো না হলে স্কটল্যান্ডকে নিয়মিত ঘরোয়া জার্সিতেই বিশ্বকাপে খেলতে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।
বিশ্বকাপে মূলত বাংলাদেশের নির্ধারিত সূচিই পেয়েছে স্কটল্যান্ড। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনেই কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা তাদের। আপাতত সেই ম্যাচসূচি পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
হঠাৎ পাওয়া এই সুযোগের সঙ্গে লজিস্টিক চাপ, কাগজপত্রের জটিলতা এবং প্রস্তুতির সীমাবদ্ধতা—সব মিলিয়ে স্কটল্যান্ডের সামনে এখন বড় পরীক্ষা, মাঠে নামার আগেই।
মন্তব্য করুন