কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৫, ০৭:০৬ পিএম
আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৫, ১১:০৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজার পাশে দাঁড়াল ইউরোপের ৪ শক্তিশালী দেশ

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা। ছবি : সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি নতুন পরিকল্পনা পেশ করা হয়েছে, যা আরব লিগের অনুমোদনের পর ইউরোপের ৪ শক্তিশালী দেশ—ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং যুক্তরাজ্যের সমর্থন পেয়েছে।

শনিবার (৮ মার্চ) আল জাজিরার প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এর আগে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) কায়রোতে অনুষ্ঠিত আরব লিগের সম্মেলনে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত প্রস্তাবের বিপরীতে একটি বিকল্প পরিকল্পনা উত্থাপিত হয়।

এই পরিকল্পনাটির মূল লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় জরুরি সহায়তা, বিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

বিশ্বের ৪ শক্তিশালী দেশ, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে এই নতুন পরিকল্পনাকে সমর্থন জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, গাজার পুনর্গঠনে একটি বাস্তবসম্মত সমাধান দিচ্ছে এই পরিকল্পনা। এটি কার্যকর হলে গাজায় বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের ভয়াবহ জীবনমানের দ্রুত ও টেকসই উন্নয়ন হবে।

এই পরিকল্পনায় গাজার পুনর্গঠনের জন্য একটি ট্রাস্ট তহবিল গঠন করা হবে এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) অধীনে অঞ্চলটি পরিচালিত হবে।

মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি এই পরিকল্পনাকে ফিলিস্তিনিদের ‘নিজ ভূমিতে থাকার’ অধিকার নিশ্চিত করার একটি উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এটি গাজার জনগণের জন্য একটি দারুণ সুযোগ, যা তাদের উন্নতির পথ উন্মুক্ত করবে।

এছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও এই পরিকল্পনাকে সমর্থন দিয়েছেন। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ধরনের পরিকল্পনা ফিলিস্তিনিদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করবে, যা সব পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, গাজা উপত্যাকার পুনর্গঠন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী প্রস্তাবটি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে। তার পরিকল্পনার মধ্যে ছিল, গাজা থেকে সব ফিলিস্তিনিকে জর্ডান এবং মিসরে পাঠিয়ে দেয়া এবং গাজাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের রিভিয়েরা’ হিসেবে রূপান্তরিত করা।

ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধন’-এর পরিকল্পনা হিসেবে সতর্ক করেছে এবং এটি আরব দেশগুলোর পাশাপাশি বেশ কিছু ইউরোপীয় রাষ্ট্রও প্রত্যাখ্যান করেছে।

এই পরিস্থিতিতে, নতুন পরিকল্পনাটি গাজা উপত্যকায় বাস্তবসম্মত পুনর্গঠন এবং শান্তির পরিবেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া

সরকারি চাকরি ছেড়ে আসা খাইরুলের মনোনয়নপত্র বাতিল

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ায় ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম মহানগরের ৭ হটস্পট

মাদুরোকে রাখা কুখ্যাত কারাগার নিয়ে অজানা তথ্য

জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিতকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ-উত্তেজনা

হাড়কাঁপানো শীতেও বর্ষার ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ছড়াচ্ছে আতঙ্ক

মদ, সমুদ্র আর ভুল প্রস্তুতি: যেভাবে অ্যাশেজ হারাল ইংল্যান্ড

ভেনেজুয়েলার দুই মন্ত্রীকে ধরতে মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ ইসির

প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে ‘পরকীয়া’র গুঞ্জন নিয়ে যা বলেছিলেন শাহরুখ 

১০

দেশে স্বাভাবিক সুন্দর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : এ্যানি

১১

মিঠুনের ঝড়ো ফিফটিও বৃথা, শেষ ওভারের নাটকে ঢাকার হার

১২

মাসে ৫ দিনের বেশি কাজ করি না : রুনা খান

১৩

পরিচালকের ভুলে ২০ বছর ধরে আড়ালে ‘রুক্মিনী’ নাম

১৪

ভেনেজুয়েলাকে শোধরানোর সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

১৫

বাংলাদেশের ম্যাচ সরানোর ব্যাপারে যা ভাবছে আইসিসি

১৬

সাবেক এমপিকে বহিষ্কার করল বিএনপি

১৭

বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে শোকজ

১৮

২ দফা কমে বাড়ল স্বর্ণের দাম

১৯

ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০
X