বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৫, ১০:২২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পরমাণু স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা জানাল ইরান

ইরানের পতাকা ও পরমাণু স্থাপনা। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের পতাকা ও পরমাণু স্থাপনা। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার প্রভাব নিয়ে নানা মূল্যায়ন চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ হামলা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তেমন কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘেই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়েও অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

বুধবার (২৫ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাঘেই বলেন, গত সপ্তাহে মার্কিন হামলায় দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে। আল জাজিরার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বাঘেই এ মন্তব্য করেন। তবে তিনি হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাননি।

তিনি বলেন, মার্কিন বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে বাঙ্কারভেদী বোমা দিয়ে চালানো হামলাগুলো উল্লেখযোগ্য ক্ষতি সাধন করেছে। এতে আমাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এটি নিশ্চিত।

এদিকে ট্রাম্প বলেন, গত সপ্তাহে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর চালানো মার্কিন হামলায় দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতা ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়ে গেছে। এর ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি দশক পিছিয়ে গেছে।

মার্কিন ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) জানিয়েছে, ফোর্দো, নাতানঞ্জ ও ইসফাহানে পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এসব স্থাপনা ধ্বংস হয়নি। এগুলো পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

বুধবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প গোয়েন্দা প্রতিবেদনকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমি হিরোশিমা বা নাগাসাকির উদাহরণ দিতে চাই না। কিন্তু বাস্তবতা হলো সেই একই ধরনের ঘটনা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়। এই হামলাই ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ বন্ধ করেছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, যদি এই হামলা না হতো তাহলে এখনো যুদ্ধ অব্যাহত থাকত।

তিনি বলেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা আসলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানে না। ইসরায়েলের মূল্যায়ন পাওয়ার আগে ইরানের স্থাপনার ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে না।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

১০

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

১১

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

১২

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

১৩

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

১৪

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

১৫

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

১৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে সুযোগ দেবে না ইসি

১৭

কুয়াকাটায় বসতবাড়ি থেকে পদ্ম গোখরা উদ্ধার

১৮

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

১৯

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

২০
X