কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৫, ০১:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৮ জুন ২০২৫, ০২:৪৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তেহরানে শহীদদের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানি শহীদদের জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে হাজারো মানুষ শনিবার (২৮ জুন) জড়ো হয়েছেন। শহীদদের মধ্যে ছিলেন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বেসামরিক ও সাধারণ নাগরিক পর্যন্ত। খবর মেহের নিউজের।

তেহরানের ঐতিহাসিক ইঙ্গেলাব স্কয়ার ও তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার রাস্তাগুলো ছিল শোকাহত মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ। জাতীয় পতাকা দিয়ে মোড়ানো শহীদদের কফিন বহনের সময় মানুষের চোখে ছিল অশ্রু, হৃদয়ে ছিল শ্রদ্ধা আর কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছিল ‘আল্লাহু আকবর’ ও ‘শহীদরা অমর’- এমন সব শোকাবহ স্লোগান।

জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার পর থেকে পুরো এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শোকাহত জনগণ শুধু তাদের প্রিয়জনকে বিদায় জানাতে আসেননি। তারা এসেছিলেন এই বার্তা দিতে- সরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান একতাবদ্ধ, আর শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না।

অনেকেই বলছেন, শহীদদের আত্মত্যাগ দেশের জন্য গৌরবের এবং এই ত্যাগ ইরানিদের মাঝে আরও সাহস ও প্রতিরোধের শক্তি জোগাবে। জানাজা শেষে শহীদদের মরদেহ বিভিন্ন শহরে পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাদের নিজ নিজ এলাকায় দাফনের জন্য।

এই হৃদয়বিদারক ঘটনার পেছনে যারা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা।

গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও আবাসিক এলাকায় সরাসরি আক্রমণ চালায়। টানা ১২ দিন চলা এ আগ্রাসনের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় তেহরান। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অধীন এয়ারোস্পেস ফোর্স ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’র আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে।

এই পাল্টা হামলায় অধিকৃত ফিলিস্তিনের একাধিক শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুতর ফাঁক স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ব্লুমবার্গ-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় ইসরায়েল শুধু নিরাপত্তাহীনতাই নয়, বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখেও পড়ে।

এরই মধ্যে ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায়- নাতানজ, ফোরদো এবং ইসফাহানে বিমান হামলা চালায়। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িয়ে পড়ে এবং উত্তেজনার মাত্রা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যায়।

শেষ পর্যন্ত, ২৪ জুন এক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এ সংঘাতের আনুষ্ঠানিক ইতি ঘটে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই সাময়িক বিরতি দীর্ঘমেয়াদে টিকে না-ও থাকতে পারে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আনসার-ভিডিপিতে জাপানিজ ভাষা শিক্ষার সুযোগ

বড় বিভ্রাটের কবলে ফেসবুক, কী ঘটেছিল সেই এক ঘণ্টায়

নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৬১

ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরে গেলেন মোদি

শহরের মতো হয়ে গেছে গ্রাম, বদলে যাচ্ছে নগরের সংজ্ঞা

গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র অগ্রণী ভূমিকা

সাবলেট বাসায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনি দিল এলাকাবাসী

নেপালের রাষ্ট্রপতিকে আম উপহার পাঠাল বাংলাদেশ

মে মাসে সড়কে ঝরল ৬২২ প্রাণ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

১০

এশিয়াওয়ান আশিয়ান সামিট / ‘গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড’ ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল, ‘গ্রেটেস্ট লিডার’ সাকিফ শামীম

১১

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৫ জন পুশইন, প্রতিহত করল বিজিবি

১২

বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

১৩

শিল্পকলার সম্মাননায় আবেগাপ্লুত সৈয়দ আব্দুল হাদী

১৪

ভারতের এএন-৩২ বিমান বিধ্বস্ত

১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৫০

১৬

বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতানো সঞ্জয়ের অজানা তথ্য 

১৭

গাজীপুরে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

১৮

চুক্তিতে ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছেন ট্রাম্প : ইরান

১৯

‘দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করবে যুবদলের নতুন নেতৃত্ব’

২০
X