

ইরানে চলমান বিক্ষোভে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় দেশটিতে সামরিক হামলার কথা ভাবতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই জানিয়েছেন গ্লোবাল পলিসি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট পাওলো ভন শিরাক।
তার মতে, বিক্ষোভকারীদের হত্যার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন তিনি।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের বড় পতনের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এসব বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪০ জন নিহত হয়েছেন। আটক হয়েছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ।
ভন শিরাক বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতা বন্ধ করতে ট্রাম্প আগে সতর্ক করেছিলেন। তা না মানায় তিনি সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য হামলায় ইরানের সামরিক ঘাঁটি, শিল্প স্থাপনা এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো লক্ষ্য হতে পারে। তেল অবকাঠামোও ঝুঁকিতে থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে ইরানে সরাসরি স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা কম বলে জানান ভন শিরাক। তার ভাষায়, বিদেশে মার্কিন সেনা নিহত হলে তা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক সমস্যা তৈরি করবে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত আগাম বলা কঠিন। তিনি অতীতেও কঠোর হুমকি দিয়েছেন, কিন্তু সব সময় তা বাস্তবায়ন করেননি।
এদিকে ইরানের শীর্ষ নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সব মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজ বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।
ভন শিরাক বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি কিছুটা দুর্বল হলেও পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। সীমিত বা বড় পরিসরের যে কোনো ধরনের মার্কিন হামলার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন