কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় পাঠানো ত্রাণসহায়তা ‘মহাসমুদ্রে এক ফোঁটা পানির মতো’

রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে। ছবি : সংগৃহীত
রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অবরোধের কারণে চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। তাদের অবরোধের কারণে সেখানে বাইরে থেকে কোনো সহায়তা প্রবেশ করতে না পারায় এই অঞ্চলে খাদ্য, ওষুধ ও পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ১৫তম দিনে গতকাল শনিবার রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় মাত্র ২০ ট্রাক ত্রাণসহায়তা প্রবেশ করেছে। ২৩ লাখের মানুষের জন্য এত স্বল্প পরিমাণ সহায়তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন গাজাবাসী। তারা বলছেন, এত স্বল্প পরিমাণ ত্রাণসহায়তা এসেছে যে তা ‘মহাসমুদ্রে এক ফোঁটা পানি মতো’।

গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পরপর গাজায় পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল। এর অংশ হিসেবে সেখানে খাবার, পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় দেশটি। এ ছাড়া যুদ্ধ শুরুর পরপর গাজায় ত্রাণসহায়তা প্রবেশের ৩টি পথ ইসরায়েল ও মিসর বন্ধ করে দিলে গাজায় মানবিক সংকট দেখা দেয়। এরপর কয়েক দিনের আলোচনার পর শনিবার মিসর রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খুলে দিলে গাজায় ওষুধ, খাবার ও পানি নিয়ে মাত্র ২০টি ট্রাক প্রবেশ করে। যদিও আলোচনা শুরুর পর দিকে প্রথম চালানে সেখানে ১০০ ট্রাক প্রবেশের কথা ছিল। এ ছাড়া এবারের চালানে কোনো জ্বালানিও দেওয়া হয়নি।

জ্বালানি না দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলেছেন, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় গতকাল মাত্র তিন শতাংশ সহায়তা এসেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে গাজায় ত্রাণসহায়তা নিয়ে সাড়ে চারশ ট্রাক প্রবেশ করত।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ত্রাণসহায়তায় জ্বালানি না দেওয়ায় রোগী ও আহতদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। কেননা জ্বালানির অভাবে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না গাজার হাসপাতালগুলো।

অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন, যে পরিমাণ সহায়তা এসেছে তা দিয়ে গাজার বর্তমান সংকটজনক পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না। নাবিলা আল-দাবাহ নামে এক ফিলিস্তিনি বলেছেন, ‘এটি মহাসমুদ্রে এক ফোঁটা পানি মতো। এটি লোক দেখানো। এটা মানুষের চোখে ধুলো দেওয়া।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বোরোর উৎপাদন ব্যয়ের চড়া মূল্যে দিশাহারা কৃষক

নারায়ণগঞ্জে আ.লীগকে প্রতিহত করতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি

কণ্ঠশিল্পী মমতাজের জামিন চেম্বার আদালতে স্থগিত

দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক এনসিপির

স্ত্রী নির্যাতনের মামলায় ছাত্রদল নেতা অনিক গ্রেপ্তার

হ্যাটট্রিক রেকর্ডের মুখে, অস্ট্রিয়া ম্যাচে কী কী নজির গড়তে পারেন মেসি?

আল জাজিরা বিশ্লেষণ / হরমুজ থেকে লেবানন: সংকট নিরসনে যে রোডম্যাপে এগোবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র 

চট্টগ্রাম বন্দরে আগুনে পুড়ে বিকল কোটি টাকা মূল্যের আরটিজি ক্রেন

আনসার সদস্যদের তৎপরতায় হারিয়ে যাওয়া শিশু উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত ৭.৬৩ টিসিএফ

১০

১৬৭ জনকে নিয়োগ দেবে রেশম উন্নয়ন বোর্ড, দ্রুত আবেদন করুন

১১

ওলামা দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা

১২

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ১৭ লাখ টাকা ছাড়াও মিলল স্বর্ণ ও বিদেশি মুদ্রা

১৩

চাকরি ফেরত চান পাঁচ ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

১৪

সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পাচ্ছে ৬ জেলায়

১৫

ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৩

১৬

রাত ১টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৭

নালা ভরাটে জলাবদ্ধতা, অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়ক পরিদর্শনে গিয়ে সিডিএ চেয়ারম্যানের ক্ষোভ

১৮

আ.লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ

১৯

ইরানের অবমুক্ত সম্পদ কোথায় ব্যয় হবে জানালেন ভ্যান্স

২০
X