কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৩, ০৭:৫৭ এএম
আপডেট : ২২ জুলাই ২০২৩, ০৮:১১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

আইনস্টাইনের চিঠি নিলামে

অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের হাতে লেখা চিঠি। ছবি : সংগৃহীত
অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের হাতে লেখা চিঠি। ছবি : সংগৃহীত

ধর্ম সম্পর্কে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের নিজের হাতে লেখা একটি চিঠি নিলামে তুলছে আমেরিকান সই সংগ্রহকারী সংস্থা ‘দ্য র‌্যাব কালেকশন’। এতে বিজ্ঞানে ঈশ্বরের ব্যাখ্যা কী? অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কি ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেন? এসব বিষয়ে চিঠি লিখেছিলেন তিনি।

শনিবার (২২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ১৯৫০ সালে ধর্ম বিষয়ের শিক্ষিকা মার্থা মাঙ্ক চিঠি লিখেছিলেন আইনস্টাইনকে। জানতে চেয়েছিলেন আধুনিক পদার্থবিদ্যার জনক কি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন? তিনি কি মনে করেন, ঈশ্বর বা কোনও সর্বোচ্চ শক্তি এই বিশ্ব সৃষ্টি করেছেন? মার্থাকে উত্তর দিয়েছিলেন আইনস্টাইন।

তার লেখা সেই চিঠি নিলামে তুলেছে আমেরিকান সই সংগ্রহকারী সংস্থা ‘দ্য র‌্যাব কালেকশন’। ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার থেকে নিলাম শুরু হবে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

এত দিন মার্থার এক উত্তরসূরির কাছে সযত্নে রাখা ছিল আইনস্টাইনের চিঠি। মার্থার প্রশ্নের জবাবে আইনস্টাইন লিখেছিলেন- ‘ধর্মগ্রন্থে লেখা কাহিনিগুলিকে যত দিন আক্ষরিক অর্থে নেওয়া হবে, সাধারণ মানুষ কী বিশ্বাস করবেন, সেটা প্রত্যাশিতই।’ তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘যদি আপনি ধর্মগ্রন্থকে প্রতীকি হিসেবে ব্যাখ্যা করেন, তা হলে কিন্তু আর পরিষ্কার নয়, ঈশ্বরকে কোনও মানুষ হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল কি না।’

আইনস্টাইন লিখেছিলেন, ‘সে ক্ষেত্রে এটা বোঝা কঠিন, বিশ্বাসের আঁকড় কতটুকু পড়ে থাকে। আমি মনে করি, যে ব্যক্তি মোটামুটি বিজ্ঞানমনস্ক, তার কাছে ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টির পিছনের ধর্মের ব্যাখ্যা যুক্তিগ্রাহ্য নয়। কারণ তিনি সবেতেই বিজ্ঞানের যুক্তি খোঁজেন।’

জার্মানিতে অ্যাডল্ফ হিটলার ক্ষমতায় আসার পর ১৯৩৩ সালে আমেরিকায় পালিয়ে এসেছিলেন আইনস্টাইন। জার্মান থেকে বেরিয়ে প্রথমে বেলজিয়ামে ছিলেন। তার পরে ছ’সপ্তাহ ব্রিটেনে থাকেন। শেষে আমেরিকায় চলে আসেন। এক দশক আমেরিকার নাগরিক ছিলেন আইনস্টাইন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এ রাষ্ট্র নারী-শিশুর নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ’

বিশ্বকাপ ম্যাচের ফলাফল জানিয়ে চমকে দিল হাঙর

নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

পাটওয়ারী-সারজিসের সফর ঘিরে মতলবে উত্তেজনা

‘বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতার বোঝা জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না’

খড় শুকাতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল কৃষকের

তিন বছর ধরে অবরুদ্ধ, স্ত্রীর জানাজায়ও যেতে দিল না ছেলে

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পদোন্নতি, গ্রেড-১ পেলেন ২ কর্মকর্তা

যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে আইয়ুব খান, প্রত্যাশা সাংগঠনিক গতিশীলতার

নারায়ণগঞ্জ  / বিএনপি নেতাকে মারধর, ৪ যুবদল কর্মী বহিষ্কার

১০

ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে লেবাননের যোদ্ধারা

১১

ঈদের ছুটিতে সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটকের ঢল

১২

বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে আর্জেন্টিনার ‘গোপন’ পরিকল্পনা

১৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার, পলাতক ২

১৪

হিটস্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়

১৫

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

১৬

চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

১৭

টিআইবির বিবৃতি / কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দুর্নীতিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার শামিল

১৮

৬ দফা দাবিতে চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলন

১৯

হজ শেষে হাজিদের জন্য যে ৩ কাজ জরুরি

২০
X