কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে চালিকাশক্তি

নাগরিক শোকসভায় বক্তারা
খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে চালিকাশক্তি

বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক এবং কর্মজীবন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের প্রশ্নে তার আপসহীন সংগ্রামের কথা তুলে ধরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজন তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। তারা বলেছেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হয়েও খালেদা জিয়া বিগত সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর তিনি কোনো ধরনের বিদ্বেষ ছড়াননি। নির্যাতিত হয়েও কারও বিরুদ্ধে অসম্মানজনক মন্তব্য করেননি। বরং ওই সময় তরুণ সমাজের প্রতি ধৈর্য ধরার এবং দেশকে পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি রাজনৈতিক উদারতা ও শিষ্টাচারের দৃষ্টান্ত তৈরি করে গেছেন। একই সঙ্গে তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আজীবন লড়াই করেছেন। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে খালেদা জিয়ার নাম লেখা থাকবে। খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। দেশ গঠনে তার মৃত্যুর শোককে শক্তিতে পরিণত করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়াকে স্মরণে নাগরিক শোকসভায় এসব কথা বলেন বিশিষ্টজন। তবে ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে বিএনপি বা খালেদা জিয়ার পরিবারের কেউ বক্তব্য দেননি। গত ৩০ ডিসেম্বর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া।

বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই শোকসভা শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে। শোকসভার প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেনের সভাপতিত্বে শোকসভায় রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, লেখক, গবেষক, ধর্মীয় ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, চিকিৎসক, শিক্ষক এবং পেশাজীবী সংগঠনের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা অংশগ্রহণ করেন। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান।

শোকসভায় বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, দৈনিক যায়যায় দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) নূরুদ্দিন খান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ, অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ. কে. আজাদ, অর্থনীতিবিদ ও পাবলিক পলিসি বিশ্লেষক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান, ব্রিটিশ আইনজীবী ও মানবাধিকার নেত্রী আইরিন খান, সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষে বিশপ সুব্রত বি. গোমেজ, আইসিসিবির প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ, শিক্ষাবিদ ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী, কূটনীতিক আনোয়ার হাশিম, গবেষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. রাশেদ আল তিতুমীর, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রির মালিক ও ব্যবসায়ী সিমিন রহমান, বিপিকেএসের সিইও এবং ডিপিআইর প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তার দুলাল, লেখক ও চিন্তক ফাহাম আব্দুস সালাম, ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। সভার শুরুতে শোকগাথা পাঠ করেন নাগরিক শোকসভার সমন্বয়ক সালেহ উদ্দিন।

অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, খালেদা জিয়া যখন ভুয়া মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হন, তখন তার পক্ষে কেউ কথা বলেননি। তার বিচারটি ছিল অদ্ভুত ও জঘন্য। তখন এ বিষয়ে বিবৃতি নিয়ে অনেক গণমাধ্যমে গিয়েছি; কিন্তু কেউ তা ছাপাতে সাহস করেননি। সময়ের ব্যবধানে একজন নেত্রীর ঠাঁই হয়েছে মানুষের হৃদয়ে, আরেকজন বিতাড়িত ভূমিতে। খালেদা জিয়া সৎ ও সাহসী ছিলেন। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন তাকে ধারণ করতে হবে।

শফিক রেহমান বলেন, আমরা একটি সংকটকালীন মুহূর্তে আছি। যে কোনোভাবেই হোক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যেন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটকেন্দ্রে সবাইকে যেতে হবে উৎসবমুখরভাবে। ভোটের পরিবেশ যেন বিঘ্নিত না হয়, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর হতে হবে। খালেদা জিয়ার শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে।

মাহফুজ আনাম বলেন, আমি স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করি। খালেদা জিয়ার আমলে তার সঙ্গে একাধিকবার দেখা করেছি। তিনি উৎসাহিত করতেন। গণতন্ত্রে তার অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। বিগত সরকার তাকে নানাভাবে নির্যাতন করেছে। এতকিছু করার পরও ৭ আগস্ট তিনি আমাদের যে বাণী দিয়েছেন, তা তার উদারতার পরিচয় বহন করে। তিনি ‘ধ্বংস নয়, ভবিষ্যতের ভালোবাসা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার কথা বলেছেন।’ খালেদা জিয়ার এই বাণীকে যেন আমরা লালন করি।

নুরুল কবির বলেন, সেদিন বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বিএনপি নেতা লাখ লাখ মানুষকে কথা দিয়েছিলেন যে, তাদের রাজনীতি খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক আদর্শে পরিচালিত হবে। এ কথা রাখতে বিএনপিকে অনুরোধও করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, মানুষ ও রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার যে গুণটি আমাকে বরাবরই আকৃষ্ট করেছে, তা হলো তার রুচিশীলতা ও পরিমিতিবোধ। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শালীনতা ও সংযমের ঘাটতি প্রকট ছিল, তখন আমি লক্ষ্য করেছি—তিনি নিরন্তর এবং ব্যতিক্রমহীনভাবে একজন রাজনীতিক হিসেবে নিজের ও তার পরিবারের ওপর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে যে আঘাত ও দুর্ভোগ এসেছে, সেসবের প্রতিক্রিয়ায় তিনি কখনো প্রকাশ্যে নিজের বেদনা, ক্ষোভ কিংবা নিন্দাসূচক কোনো বক্তব্য উচ্চারণ করেননি।

মাহমুদুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের পতাকা আজ তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত হয়েছে। এটি যেমন গর্বের বিষয়, তেমনি এক গভীর দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জেরও বিষয়। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়াউর রহমানের সন্তান হওয়া নিঃসন্দেহে গর্বের। একই সঙ্গে এটি একটি ভয়ের ও শঙ্কার বিষয়ও। কারণ বাংলাদেশের মানুষ সবসময় তারেক রহমানকে তার পিতা ও মাতার সঙ্গে তুলনা করবে। এ তুলনা অত্যন্ত কঠিন যে কোনো মানুষের জন্যই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার পঙক্তি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘তোমার পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দাও শক্তি।’ তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলেন, আল্লাহ যেন তারেক রহমানকে এই ঐতিহাসিক পতাকা বহনের শক্তি ও সামর্থ্য দান করেন।

ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, মানুষ বেগম জিয়াকে অনন্তকাল স্মরণ করবে। কারণ, দেশের জন্য তার ত্যাগ ও নিষ্ঠা অপরিসীম। তিনি এ দেশের মানুষ, গাছ, লতাপাতা ও পানি ভালোবাসতেন। বলতেন, দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই। বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই। খালেদা জিয়ার মৃত্যু হলেও তার আদর্শ চিরঅম্লান হোক। আল্লাহ আমাদের নেত্রীকে বেহেশত দান করুন।

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার সময়টিকে তিনটি দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে হবে। এক কঠিন মুহূর্তে রাজনৈতিক উত্থান পর্ব। তখন তিনি ছিলেন আপসহীন। সরকার গঠন—এই সময়ে তার সাফল্য ও ব্যর্থতা আছে। আর ২০০৭ সাল থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন। তার সবচেয়ে বড় পরিচয় দিতে হবে—তিনি নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে নির্বাচনে প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

ফাহাম আব্দুস সালাম বলেন, বিএনপি ২০ বছর অত্যাচারের পরও জনগণের ভালোবাসায় টিকে রয়েছে। এর মূল কারণ খালেদা জিয়ার দৃঢ়চেতা রাজনীতি।

সিমিন রহমান বলেন, খালেদা জিয়া মানুষ হিসেবে আপসহীন ছিলেন। দেশের অর্থনীতিতে তার অবদান ছিল। তিনি বলতেন, ব্যবসা করতে হবে নৈতিকতার সঙ্গে। আমার বাবা লতিফুর রহমানের কাছ থেকে শুনেছি, খালেদা জিয়া সঠিকভাবে ব্যবসা করতে বলেছেন। তার জান্নাত কামনা করছি।

অধ্যাপক রাশেদ আল তিতুমীর বলেন, খালেদা জিয়ার সময়ে অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তর ঘটেছে, শিল্পায়ণ হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী হয়েও প্রযোজনীয় চিকিৎসা তিনি পাননি। চিকিৎসায় এ ধরনের অবহেলার ফলে লিভার ফাংশনের দ্রুত অবনতি তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটা ‘উইলফুল নেগলিজেন্স’ বা ইচ্ছাকৃত অবহেলা। এটি অমার্জনীয় অপরাধ এবং তাকে হত্যা করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম খালেদা জিয়া। তিনি সাধারণ রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ছিলেন রাজনৈতিক আদর্শ। ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়চেতা। কঠিন সময়েও চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বলেছেন—‘ধ্বংস নয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’ আমার বিবেচনায় তিনি বিচক্ষণ। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মানজনক উপাধি দেওয়ার দাবি জানাই।

নাগরিক শোকসভায় শ্রোতাদের সারিতে স্ত্রী ও সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উপস্থিত থাকলেও বক্তব্য দেননি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ছাড়া বিএনপির কোনো নেতাও বক্তব্য দেননি। শোকসভায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ সিনিয়র নেতারা। এ ছাড়া যুগপতের শরিকদের মধ্যে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, ন্যাশনাল লেবার পার্টির লায়ন মো. ফারুক রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপের এম. এন. শাওন সাদেকী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির এস. এম. শাহাদাত উপস্থিত ছিলেন। শোকসভায় যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ, মনির হায়দার প্রমুখ। খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে স্মরণসভা শেষ হয়।

শোকসভা ঘিরে নিরাপত্তায় ছিলেন সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, আনসারসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। শোকসভাস্থলে মানুষের উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শোকসভাস্থলে প্রবেশাধিকার সীমিত রাখা হয়। নির্ধারিত কার্ড ছাড়া ভেতরে প্রবেশের সুযোগ না থাকায় অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে হাজার হাজার বিএনপির সমর্থক ও সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। নেতাকর্মীদের কথা মাথায় রেখে বাইরে বিশাল স্ক্রিনের ব্যবস্থা করেন আয়োজকরা। অনুষ্ঠান শুরুর পর থেকেই বাইরে অবস্থান নেওয়া উৎসুক মানুষ সেই পর্দায় সরাসরি সম্প্রচারিত শোকসভাটি দেখেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচনী প্রচার শুরু আজ, কোথায় কখন কর্মসূচি

বারবার গলা পরিষ্কার করা কী বড় কোনো সমস্যার লক্ষণ

বিএনপি থেকে বহিষ্কার তাপস

নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ গুরুত্ব দেব : সাঈদ আল নোমান

ইসলামী যুব আন্দোলনে যোগ দিলেন জামায়াত নেতা

আমি মানুষের সেবা করতে এসেছি : বাবর

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সিদ্ধান্ত বদলালেন ট্রাম্প

সকালের নাশতা বাদ দিলে যা হতে পারে

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নিয়োগ দিচ্ছে লংকাবাংলা

১০

গাজায় তিন সাংবাদিকসহ নিহত ১১

১১

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

১২

আরএফএল গ্রুপে চাকরির সুযোগ

১৩

২২ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১৪

নির্বাচনী প্রচারে মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ

১৫

জিয়া পরিষদের এক সদস্যকে গলা কেটে হত্যা

১৬

আমিও আপনাদের সন্তান : তারেক রহমান

১৭

মায়ের সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা চলে না : লায়ন ফারুক

১৮

সিলেটে কঠোর নিরাপত্তা

১৯

জনসভা সকালে, রাত থেকে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা

২০
X