

ফেনী-১ আসনে নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগের নামে ভোটারদের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর ও জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে ফেনীর পরশুরামের চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে উপজেলা বিএনপি ও জামায়াত নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবিরের বেশ কয়েকজন কর্মী এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোটারদের আইডি নম্বর ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করেছেন এমন একটি তালিকা তারা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছেন।
উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল হালিম বলেন, জামায়াতের কর্মী বাহারের নেতৃত্বে ১৫ জন জামায়াত শিবিরের কর্মী পশ্চিম অলকা গ্রামে প্রচার চালাচ্ছিল। কয়েকজন নারী ভোটারের স্বামীর নাম না থাকায় তাদের আইডি কার্ডের নম্বর জানতে চান। এ সময় স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. রফিক ও আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী জামায়াত-শিবির কর্মীদের অবরুদ্ধ করেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মানিক বলেন, ঘটনার সময় আমি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছিলাম। বীরের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারের নামে ভোটারদের বিকাশ ও আইডি নম্বর সংগ্রহ করেছেন। এ সময় তার কাছে ৪০ -৫০ জনের একটি তালিকাও পাওয়া যায়। ঘটনার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম সাফায়াত আক্তার নূর বলেন, বিএনপির অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। অভিযুক্ত জামাল উদ্দিনের বয়স ৭৫ বছর। ভবিষ্যতে এমন বেআইনি কর্মকাণ্ড করবে না বলে মুচলেকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
মন্তব্য করুন