আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:১৫ এএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:৪২ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণানির্ভর নয়

সাক্ষাৎকার
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণানির্ভর নয়

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। দেশের উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন কালবেলার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের

কালবেলা: বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় কেন পিছিয়ে থাকছে? ঘাটতি কীসে?

যবিপ্রবি উপাচার্য: বাংলাদেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত টিচিং ইউনিভার্সিটি। এগুলোকে রিসার্চবেইজড ইউনিভার্সিটি (গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়) বলা যায় না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যদি তাকাই, গবেষণাকেন্দ্রিক অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা প্রতিষ্ঠার একশ বছরেও নিশ্চিত করা যায়নি। এই সুযোগ তৈরি করতে না পারলে একটি বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে র‌্যাকিংয়ে যাবে, উদ্ভাবন ও গবেষণায় অবদান রাখবে, দক্ষ জনশক্তি তৈরি করবে? আগের অবস্থা এখন নেই। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা একটা সীমার মধ্যে নিয়ে আসা উচিত। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে ৪০ শতাংশ টিচিং এবং ৬০ শতাংশ রিসার্চ বা গবেষণাভিত্তিক করা উচিত। আমাদের দেশে গবেষণায় বরাদ্দ একেবারেই অপ্রতুল। এটি দিয়ে গবেষণা হয় না। ফলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বলি কিংবা র্যাংকিং, আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের শিক্ষকরা দক্ষ। কিন্তু বাইরে থেকে পিএইচডি করে তারা যখন দেশে আসেন, তাদের গবেষণার সেই সুযোগ পান না। শিক্ষার্থীরাও অসম্ভব মেধাবী। তারা যদি সুযোগ পায়, অনেক ভালো করবে। সেজন্য গবেষণায় পর্যাপ্ত ফান্ডিং করা প্রয়োজন।

কালবেলা: আমাদের দেশের শিক্ষাক্রম ও সিলেবাস কি বিশ্বমানের?

যবিপ্রবি উপাচার্য: শিক্ষাক্রমে আমাদের খুব বেশি গ্যাপ আছে বলে আমি মনে করি না। যেহেতু আমাদের বেশিরভাগই টিচিং ইউনিভার্সিটি, সে হিসেবেই শিক্ষাক্রম করা। আন্ডারগ্র্যাজুয়েটের জন্য ঠিকই আছে।

কালবেলা: আমাদের দেশ কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে যুগোপযোগী জনশক্তি গড়ে তুলতে কতটা সক্ষম?

যবিপ্রবি উপাচার্য: কারিগরি শিক্ষার প্রসারের জন্য সরকার অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সেই উদ্যোগের নামে শুধু লুটপাটই হয়েছে। যারা শেখাবেন তারাও প্রশিক্ষিত নন।

কালবেলা: যবিপ্রবি নিয়ে আপনার স্বপ্ন কী?

যবিপ্রবি উপাচার্য: বর্তমান অবকাঠামোর মধ্য থেকে গবেষণার ক্ষেত্র বাড়ানো, মাস্টার্স লেভেলে সব শিক্ষার্থীকে রিসার্চে যুক্ত করার স্বপ্ন দেখি। যেহেতু যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থী কম, সেজন্য রিসার্চ ও ইনোভেশনে জোর দিতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা ‘ইনোভেশন হাব’ করতে চাই। কালবেলা: আপনাকে ধন্যবাদ।

যবিপ্রবি উপাচার্য: আপনাকেও ধন্যবাদ, কালবেলাকেও ধন্যবাদ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন

এবার বিএনপি থেকে বহিষ্কার সাবেক প্রতিমন্ত্রী

নির্বাচনী প্রচারণায় যা যা করতে পারবেন প্রার্থীরা

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিসে’ যোগ দিচ্ছে যেসব মুসলিম দেশ

অস্ত্র কেনা ও মজুত নিয়ে আলোচনার ভিডিও ভাইরাল

শাবিপ্রবি ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

কেউ মিথ্যা বলছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

আজ কেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

রাজধানীর স্কুলে শিশুশিক্ষার্থীকে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

জমি নিয়ে বিরোধে ৩ বছরের শিশুকে হত্যা

১০

পাকিস্তানে তেল-গ্যাসের বিপুল মজুত আবিষ্কার

১১

নির্বাচনী প্রচার শুরু আজ, কোথায় কখন কর্মসূচি

১২

বারবার গলা পরিষ্কার করা কী বড় কোনো সমস্যার লক্ষণ

১৩

বিএনপি থেকে বহিষ্কার তাপস

১৪

নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ গুরুত্ব দেব : সাঈদ আল নোমান

১৫

ইসলামী যুব আন্দোলনে যোগ দিলেন জামায়াত নেতা

১৬

আমি মানুষের সেবা করতে এসেছি : বাবর

১৭

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সিদ্ধান্ত বদলালেন ট্রাম্প

১৮

সকালের নাশতা বাদ দিলে যা হতে পারে

১৯

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

২০
X