বর্ষা মৌসুমে পুকুর ও খাল-বিলে পানি বাড়ায় বাড়ছে মাছের উৎপাদন। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দাম আগের মতোই বাড়তি। বাজারে দেখা গেছে, ইলিশ ছাড়া প্রায় সবধরনের মাছ পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। তবে দাম বেশি। আগামী রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরা শুরু হবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইলিশ আসতে শুরু করলে অন্যান্য মাছের দাম কমবে। এদিকে পেঁয়াজ, আলু ও শাকসবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সেই অর্থে দাম কমছে না। উল্টো থেমে থেমে দাম বেড়ে এখন আলুর কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজের কেজি ৫০ থেকে ৭৫ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকার বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। মাছের বাজারে দেখা গেছে, তেলাপিয়ার কেজি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা। পাঙাশ মাছের কেজি ২০০ থেকে ২৪০ টাকা। প্রতি কেজি চাষের নলা মাছের কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। আকারভেদে রুই-কাতলা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা মাছের কেজি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। চিংড়ি মাছের মধ্যে ছোট আকারের প্রতি কেজির দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, মাঝারি আকারের প্রতি কেজি ৯০০ থেকে হাজার টাকার বেশি। এলাকাভেদে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগির কেজি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। ফার্মের বাদামি ডিমের প্রতি হালি ৪৮ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুদি দোকানিরা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমেছে। তবে তাদের কথার সঙ্গে অন্য দোকানের দামের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। গতকাল ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকা। তবে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা টিসিবির তথ্যে বলা হচ্ছে, দেশি পেঁয়াজের কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। দেশি রসুনের কেজি ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন প্রতি কেজি মানভেদে ২০০ থেকে তারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির মধ্যে টমেটোর কেজি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। করলার কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বেগুনের কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁচামরিচ মানভেদে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা। ঢ্যাঁড়শের কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটোল ৫০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, পেঁপে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুমুখি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, আমদানি করা গাজর ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, চালকুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউয়ের পিস ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মন্তব্য করুন