কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৫৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

টাকা নেই ডাকসু ফান্ডে কোষাধ্যক্ষ বললেন ‘খরচ হয়ে গেছে’

৩০ বছরের হিসাবে গরমিল
টাকা নেই ডাকসু ফান্ডে কোষাধ্যক্ষ বললেন ‘খরচ হয়ে গেছে’

প্রায় ৩০ বছর ধরে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জন্য টাকা দিয়েছেন, তবে সে টাকা ফান্ডে পাওয়া যায়নি। ডাকসু নেতারা ফান্ডে টাকা না থাকার কারণ জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম তাদের বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা ১ কোটি ১১ লাখ টাকা পেয়েছি। আর খরচ হয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।’

গতকাল রোববার তিন দফা দাবিতে ডাকসু নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ঘেরাওয়ের পর তাদের প্রশ্নের জবাবে কোষাধ্যক্ষ এ কথা বলেন।

হল সংসদ এবং ডাকসুর অতীতের সব ফান্ডের হিসাব দিয়ে বাজেট বুঝিয়ে দেওয়া এবং নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনে টোকাই, ভবঘুরে, মাদকমুক্ত করাসহ তিন দফা দাবিতে গতকাল ডাকসু নেতারা ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ঘেরাও করেন। এ সময় ডাকসুর ফান্ডের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে—জানতে চাইলে কোষাধ্যক্ষ ডাকসু নেতাদের বলেন, যে নির্বাচন হয়, সে খাতে এ টাকা খরচ হয়েছে। তার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থী ও নেতারা বলেন, এ টাকা তো এভাবে খরচ করা যাবে না। এ টাকা খরচ করবে ডাকসু। এ সময় কোষাধ্যক্ষ আরও বলেন, টাকা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো পলিসি পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়। ডাকসুর আয় আলাদা কিছু না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক আয়ের অংশ আছে। ইউজিসি একটি বরাদ্দ দেয়। সে টাকার মধ্যেই এ ফিও অন্তর্ভুক্ত। ইউজিসি যেভাবে যে ফরম্যাটে বাজেট দেয়, সেভাবে খরচ করা হয়।

তার বক্তব্যের জবাবে ডাকসু নেতারা বলেন, এসব পলিসি আমরা বুঝি না। ডাকসুর টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে। পরে কোষাধ্যক্ষ বলেন, বাজেটের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্বাধীনতা নেই। আয় খুব কম। সরকারি বাজেটের ওপর নির্ভর করতে হয়। ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা চাইলেও ৯০০ কোটির কিছু বেশি দিয়েছে। খরচ কমালেও ১০০ কোটি ঘাটতি হবে। তারা বলেছে, আয় বৃদ্ধি করতে।

তখন আন্দোলনকারীরা বলেন, শিক্ষার্থীরা ডাকসুর জন্য যে টাকা দিয়েছে, সে টাকা দিতে হবে। এ টাকা অন্য কাজে কেন যাবে, ডাকসুর টাকা দিতে হবে। এ সময় বিষয়টি নিয়ে ইউজিসির সঙ্গে কথা বলতে হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে গতকাল দুপুরের দিকে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক যুবাইর বিন নেছারী, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের নেতৃত্বে রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ঘেরাও করেন নেতারা। কর্মসূচির একপর্যায়ে তারা তিন দাবি নিয়ে কোষাধ্যক্ষের অফিসে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় কোষাধ্যক্ষ ও প্রক্টরের উপস্থিতিতে তাদের অবস্থান কর্মসূচিকে ঘিরে বাকবিতণ্ডা হতে দেখা যায়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ বেআইনি: শিশির মনির

জলবায়ু বার্তা ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি সংক্রান্ত বৈঠকের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী

১৫ বছরেই জাতীয় দলে ডাক পেয়ে ইতিহাস গড়লেন বৈভব সূর্যবংশী

সাদাপাথর ভ্রমণে প্রশাসনের নতুন নির্দেশনা

সিলেটে অনির্দিষ্টকাল পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আজীবন সহায়তা দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

বর্ষা শুরুর আগেই যমুনায় তীব্র ভাঙন

দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির বিষয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী

২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় না হলে চুক্তি নয় : ইরান

‘৩ ফুটের মধ্যেও শিশুর নিরাপত্তা নেই’, রামিসার বাবা

১০

ফেসবুক পোস্টের জেরে মামলা, সাংবাদিক পরিচয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি

১১

সৌদি আরবে বিদ্যুৎস্পর্শে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

১২

হরমুজে চাপ সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটিয়েছে ইরান : খামেনির উপদেষ্টা

১৩

ভারতের পুশ-ইন নিয়ে সীমান্তে বিজিবির বিশেষ সতর্কবার্তা

১৪

বাজার সংস্কারে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে : বিএসইসি চেয়ারম্যান

১৫

নেসলে বাংলাদেশ পরিদর্শনে সুইজারল্যান্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল

১৬

নেসকো ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

১৭

ঢাকাকে আর বাসযোগ্য মনে হয় না মির্জা ফখরুলের

১৮

মীমাংসিত জমি ফের দখলের চেষ্টা, সাংবাদিকের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

১৯

বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ

২০
X