বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৩, ১১:৫৫ এএম
আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৩, ১২:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

২০৫০ সালে বাণিজ্য সুবিধা বাড়বে ২৮৬ বিলিয়ন ডলার : এডিবি

শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রতিবেদন প্রকাশ। ছবি : কালবেলা
শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রতিবেদন প্রকাশ। ছবি : কালবেলা

অর্থনৈতিক করিডোরের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। এই সুবিধা কাজে লাগানো গেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ৭ কোটি ১৮ লাখ কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া ২০৪০ সালের মধ্যে হবে ৪ কোটি ৬২ লাখ কর্মসংস্থান এবং ২০২৫ সালের মধ্যে ১ কোটি ২৭ লাখ কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি এই সুবিধা কাজে লাগানো গেলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা বাড়বে ২৮৬ বিলিয়ন ডলার।

বুধবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ ইকোনমিক কোরিডোর ডেভেলপমেন্ট হাইলাইটস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজার রহমান ও বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনের (বেজা) চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিব) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং। মূল প্রবন্ধ পস্থাপন করেন মি. সুন চ্যাং হোং।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি করিডোর সুবিধা ব্যবহার করা না যায় তাহলে ২০৫০ সালে কর্মসংস্থান হবে ৩ কোটি ১১ লাখ। আর এই সুবিধা ব্যবহার করা গেলে হবে ৭ কোটি ১৮ লাখ কমংস্থান। এ ছাড়া ২০২৫ সালে সুবিধা ব্যবহার করা না গেলে হবে ১ কোটি ৩৪ লাখ, ব্যবহার করা গেলে ১ কোটি ৫৭ লাখ। ২০৩০ সালে সুবিধা ব্যবহার করা না গেলে ১ কোটি ৭০ লাখ, আর ব্যবহার করা গেলে হবে ২ কোটি ৩৪ লাখ কর্মসংস্থন। ২০৩৫ সালে সুবিধা কাজে না লাগানো গেলে ২ কোটি ১০ লাখ, সুবিধা কাজে লাগালে হবে ৩ কোটি ৪৭ লঅখ কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া ২০৪০ সালে কর্মস্থান হবে ২ কোটি ৪৮ লাখ। তবে করিডোর সুবিধা কাজে লাগানো গেলে হবে ৪ কোটি ৬২ লাখ কর্মসংস্থান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক করিডোরের তিনটি পরিপূরক উপাদান রয়েছে একটি বাণিজ্য ও পরিবহন করিডোর উৎপাদন ক্লাস্টার যা অভ্যন্তরীণ বাজারে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উভয়ই ব্যবহারের জন্য পণ্য উৎপাদন করে। এ ছাড়া শহুরে কেন্দ্রগুলো উদপাদন কেন্দ্র থেকে পণ্যগুলোর প্রধান বাজার হিসাবে কাজ করে এবং আন্তর্জাতিক গেটওয়ের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্যের জন্য তারা শ্রম প্রযুক্তি, সহায়তা পরিষেবা, জ্ঞান এবং উদ্ভাবনের উ্ৎস হিসাবেও কাজ করে। অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়নের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো স্বল্পোন্নত অঞ্চলের একীকরণের মাধ্যমে সমৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি পায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশ দেশের প্রধান পিছিয়ে থাকা অঞ্চল। তাই বাংলাদেশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ জুড়ে অভিন্ন, সামগ্রিক এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য, বাংরাদেশ ইকোনমিক করিডোকে (বিইসি) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল (খুলনা বিভাগ) থেকে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল (সিলেট) পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ধারণা দেওয়া হয়েছে। দেশের সারা অর্থনৈতিক করিডোরটি মোট জনসংখ্যার ৩৪ শতাংশ কভার করে ১৪টি জেলাকে জুড়ে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হলিউডে ঝড় তুলতে আসছে ‘দ্য ওডিসি’

কক্সবাজারসহ ৩ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

ইরাকে খামেনির মরদেহ, শেষযাত্রায় জনসমুদ্র

এফ-৩৫ দিলেই তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু হবে না: নেতানিয়াহু

বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে হামলা

শেরপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে ৫ গরুর মৃত্যু

মিশরের গোল বাতিল, সালাহর পেনাল্টি ও ভিএআর নিয়ে তোলপাড়

দুই বাসের সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ২

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, নিরাপত্তা সহযোগিতার ওপর জোর

চবির সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১০

বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা

১১

কাঁথা-বালিশ নিয়ে বিএনপির কার্যালয়ে আশ্রয় নিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

১২

সাঙ্গু-মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

১৩

তিন দেশের সঙ্গে ইউক্রেনের নতুন ড্রোন চুক্তি

১৪

মেসির আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দিতে ‘কারচুপি’? যা বলছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা

১৫

‘গণভোটের রায় ও সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে দেশে কোনো পরিবর্তন হবে না’

১৬

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় স্বর্ণের দামে অস্থিরতা

১৭

শাহ আমানতে স্বাভাবিক বিমান চলাচল

১৮

যুক্তরাষ্ট্র দলের দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল ফিফা

১৯

মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, অস্ত্রসহ এক হামলাকারী আটক

২০
X