কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৩, ১১:৫৫ এএম
আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৩, ১২:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

২০৫০ সালে বাণিজ্য সুবিধা বাড়বে ২৮৬ বিলিয়ন ডলার : এডিবি

শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রতিবেদন প্রকাশ। ছবি : কালবেলা
শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রতিবেদন প্রকাশ। ছবি : কালবেলা

অর্থনৈতিক করিডোরের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। এই সুবিধা কাজে লাগানো গেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ৭ কোটি ১৮ লাখ কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া ২০৪০ সালের মধ্যে হবে ৪ কোটি ৬২ লাখ কর্মসংস্থান এবং ২০২৫ সালের মধ্যে ১ কোটি ২৭ লাখ কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি এই সুবিধা কাজে লাগানো গেলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা বাড়বে ২৮৬ বিলিয়ন ডলার।

বুধবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ ইকোনমিক কোরিডোর ডেভেলপমেন্ট হাইলাইটস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজার রহমান ও বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনের (বেজা) চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিব) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং। মূল প্রবন্ধ পস্থাপন করেন মি. সুন চ্যাং হোং।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি করিডোর সুবিধা ব্যবহার করা না যায় তাহলে ২০৫০ সালে কর্মসংস্থান হবে ৩ কোটি ১১ লাখ। আর এই সুবিধা ব্যবহার করা গেলে হবে ৭ কোটি ১৮ লাখ কমংস্থান। এ ছাড়া ২০২৫ সালে সুবিধা ব্যবহার করা না গেলে হবে ১ কোটি ৩৪ লাখ, ব্যবহার করা গেলে ১ কোটি ৫৭ লাখ। ২০৩০ সালে সুবিধা ব্যবহার করা না গেলে ১ কোটি ৭০ লাখ, আর ব্যবহার করা গেলে হবে ২ কোটি ৩৪ লাখ কর্মসংস্থন। ২০৩৫ সালে সুবিধা কাজে না লাগানো গেলে ২ কোটি ১০ লাখ, সুবিধা কাজে লাগালে হবে ৩ কোটি ৪৭ লঅখ কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া ২০৪০ সালে কর্মস্থান হবে ২ কোটি ৪৮ লাখ। তবে করিডোর সুবিধা কাজে লাগানো গেলে হবে ৪ কোটি ৬২ লাখ কর্মসংস্থান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক করিডোরের তিনটি পরিপূরক উপাদান রয়েছে একটি বাণিজ্য ও পরিবহন করিডোর উৎপাদন ক্লাস্টার যা অভ্যন্তরীণ বাজারে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উভয়ই ব্যবহারের জন্য পণ্য উৎপাদন করে। এ ছাড়া শহুরে কেন্দ্রগুলো উদপাদন কেন্দ্র থেকে পণ্যগুলোর প্রধান বাজার হিসাবে কাজ করে এবং আন্তর্জাতিক গেটওয়ের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্যের জন্য তারা শ্রম প্রযুক্তি, সহায়তা পরিষেবা, জ্ঞান এবং উদ্ভাবনের উ্ৎস হিসাবেও কাজ করে। অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়নের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো স্বল্পোন্নত অঞ্চলের একীকরণের মাধ্যমে সমৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি পায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশ দেশের প্রধান পিছিয়ে থাকা অঞ্চল। তাই বাংলাদেশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ জুড়ে অভিন্ন, সামগ্রিক এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য, বাংরাদেশ ইকোনমিক করিডোকে (বিইসি) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল (খুলনা বিভাগ) থেকে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল (সিলেট) পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ধারণা দেওয়া হয়েছে। দেশের সারা অর্থনৈতিক করিডোরটি মোট জনসংখ্যার ৩৪ শতাংশ কভার করে ১৪টি জেলাকে জুড়ে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মানত পূরণে সাঁতরে নদী পার হতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলার নিন্দা জামায়াতের

৪ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ 

৭ জুলাই / আজকের নামাজের সময়সূচি

সৌদিতে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

৭৫ হাজার টাকার জাল নোটসহ আটক ১

সম্মান দিয়ে কথা বলুন, মি. ট্রাম্প; নইলে ভিন্ন ভাষায় জবাব দেব: বাকের জোলঘাদর

টানা ১৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

৬ দিনের বিরতি শেষে আজ আবারও বসছে সংসদ অধিবেশন

১০

সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে নির্মাণকাজ

১১

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

১২

তীব্র ভাঙন / ১৫ দিনে নদীগর্ভে ১৯ বাড়ি

১৩

খামে‌নির মরদেহ পৌঁছেছে পবিত্র শহর কোমে

১৪

মরক্কোয় আইএসের হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ, গ্রেপ্তার ১০

১৫

দাপুটে জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম, বিদায় স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র

১৬

০৭ জুলাই / কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

১৭

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বৃহত্তম তেল শোধনাগারে আগুন

১৮

ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

১৯

ডলারের চাপে বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

২০
X