কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

১৫টি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নতির নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

গ্রাফিক্স : কালবেলা
গ্রাফিক্স : কালবেলা

আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য দেশের ১৫টি ব্যাংকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার পর্যবেক্ষক ও সমন্বয়কদের মাধ্যমে এই নির্দেশ দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পর্যবেক্ষক ও সমন্বয়কদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক আছে আটটি ব্যাংকে। এগুলো হলো- সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক। এ ছাড়া সাতটি ব্যাংকে সমন্বয়ক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- ন্যাশনাল ব্যাংক, এবি ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

মূলত ঋণ নিয়ে অনিয়ম ও কেলেঙ্কারি শনাক্তে ব্যাংকগুলোকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যবেক্ষক ও সমন্বয়ক নিয়োগ দিয়েছে। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক সাংবাদিকদের বলেন, গভর্নর পর্যবেক্ষক ও সমন্বয়কদের এসব ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে বলেছেন।

এ সময় বেসিক ব্যাংকের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মেজবাউল হক বলেন, গভর্নর ওই সব ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট ও পরিচালনা পর্ষদকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর কোনো সহানুভূতি দেখাবে না।

২০১৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছিল। ২০১৭ সালের শেষে ব্যাংকটির মন্দ ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা। এরপর চলতি বছরের মার্চ শেষে তা বেড়ে হয় ১৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চ শেষে যা ব্যাংকিং খাতের মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকগুলোতে সুশাসনের অবনতি মোকাবিলায় পর্যবেক্ষক ও সমন্বয়কদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় নিহতের সংখ্যা কত, জানাল ইরান

জাতীয় স্কুল বিজ্ঞান শিক্ষক সম্মেলন: বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন প্রত্যয়

শেষ ম্যাচের আগে দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে একই উপসর্গে ২ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

তারেক রহমানের সঙ্গে রংপুর বিভাগের বিএনপি নেতাদের বৈঠক  

গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: শফিকুর রহমান

দীর্ঘমেয়াদে চসিক মেয়র পদে থাকতে চান না শাহাদাত হোসেন

ইরানি জাতি আগের চেয়ে এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ: বাঘায়ি

বরযাত্রী ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ২, আইসিইউতে কনে, হাত ভাঙল বরের

আগস্টে ‘প্রবাসী কার্ড’র পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করবে সরকার

১০

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্থগিত করল ইরান

১১

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মাতৃভূমির প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করব: আরাগচি

১২

৬৫ বছর বয়সের পর যে ১০ খাবার এড়িয়ে চলবেন

১৩

‘বিএনপি সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, কিন্তু...’

১৪

বিশ্বকাপে ফাইনালের পারফরম্যান্স নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল ফিফা

১৫

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

১৬

সিএনএন-এর বিশ্লেষণ / সমঝোতা চুক্তি ঘিরে ইরানে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, অভ্যুত্থানের অভিযোগ কট্টরপন্থিদের

১৭

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবেন এমবাপ্পে?

১৮

শাহজাদপুরে ভিক্ষুকদের টং দোকান, শিক্ষার্থীদের সাইকেল দিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

১৯

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিয়ে জরুরি বিজ্ঞপ্তি

২০
X