কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৪, ০১:৪৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

মোহাম্মদপুরে শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

থানায় মামলা করতে আসেন আন্দোলনে নিহত সৈকতের পরিবার। ছবি : কালবেলা
থানায় মামলা করতে আসেন আন্দোলনে নিহত সৈকতের পরিবার। ছবি : কালবেলা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাহামুদুর রহমান সৈকত (১৯) নামের এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) রাতে নিহত সৈকতের বাবা মাহাবুবুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) রুহুল কবির।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের আইজিপিসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা -১৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মো. এ. আরাফাত, সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ-আল মামুন, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, তেজগাঁও বিভাগের সাবেক ডিসি এইচ এম আজিমুল হক, সাবেক এডিসি (মোহাম্মদপুর) মো. রওশানুল হক সৈকত, সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল-মোহাম্মদপুর) মো. শহীদুল হক, সহকারী পুলিশ কমিশনার (মোহাম্মদপুর জোন) মিজানুর রহমান, মোহাম্মদপুর থানার সাবেক ওসি মাহফুজুল হক ভুঁইয়া, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, সহকারী পরিদর্শক শাহরিয়ার আলমসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ জন পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা এবং সদস্য।

মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেছেন, যাচাই করে দেখা যায় যে, পুলিশের বুলেটের আঘাতে আমার ছেলে মৃত্যুবরণ করে। উল্লেখ্য, ১ নং আসামির নেতৃত্বে গঠিত পেটোয়া বাহিনী আওয়ামী লীগ এবং পুলিশ বাহিনী দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের অধিক সময় ধরে সাধারণ জনগণকে অত্যাচার ও নিপীড়ন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ১-১২ নং আসামিগণের নির্দেশে ছাত্র জনতাকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করার নির্দেশ প্রদান করে। যার কারণে ১১ নং, ১২ নং এবং ১৩ নং আসামিসহ অজ্ঞাত ৩০/৪০ জন পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণ ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে এবং আমার নিষ্পাপ সন্তানকে আসামিগণ হত্যা করে। ফলে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। পরে তার দাফনে ব্যস্ত থাকায় আমার আত্মীয়-স্বজন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এই এজাহার দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হলো।

নিহত সৈকতের বড় বোন শাহরিনা আফরোজ সুপ্তি কালবেলাকে বলেন, আমার ভাই কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। তারা আমার নিষ্পাপ ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার একটা মাত্র ভাই ছিল। আমি এই হত্যার বিচার চাই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন এনসিপি নেত্রী

‘ভেতরের সিদ্ধান্ত জানি না, তবে বিশ্বকাপে খেলতে চাই’

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে পদ হারালেন ছাত্রশক্তি নেতা 

বোয়ালখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ঢাকায় গ্রেপ্তার

৮ জেলায় ‘ই-বেইলবন্ড’ উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা

নারায়ণগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন

শিগগিরই তাপমাত্রার সর্বোচ্চ সীমা ছাড়াতে পারে, এরপর কী হবে?

রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় নিহত ১

কুমিল্লায় সরে দাঁড়ালেন ১০ জন, ভোটের মাঠে ৮০ প্রার্থী

১০

নির্দেশনা থাকলেও মানেননি ফেনীতে জোটের এই ৪ প্রার্থী

১১

বিপিএল মাতাতে ঢাকায় কেন উইলিয়ামসন

১২

ওয়ালটনের পরিচালক মাহাবুব আলম মৃদুলের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে দেশব্যাপী দোয়া-মোনাজাত

১৩

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সংকট / বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে আইসিসিতে চিঠি দিল পিসিবি

১৪

ধানুশ ম্রুনালের তালিকার কততম প্রেমিক?

১৫

ঘুষ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে মারামারি

১৬

যুদ্ধাপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

১৭

সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইতালি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

১৮

বাবার কোলে এই ছোট্ট মেয়েটি এক নায়কের স্ত্রী; চিনতে পারছেন?

১৯

বহিষ্কারের হুমকি পেয়েও মাঠে থাকার ঘোষণা এক প্রার্থীর

২০
X