বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৫, ১০:২৭ এএম
আপডেট : ১২ জুন ২০২৫, ১০:৪৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনার বাসভবনে এখন সব অপকর্ম হয়

সুধা সদন
শেখ হাসিনার বাসভবন ‘সুধা সদন’। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন ‘সুধা সদন’ এখন পরিত্যক্ত। নজরদারির অভাবে বাড়িটি এখন অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর ধানমন্ডি ৫/এ-তে অবস্থিত শেখ হাসিনার বাড়িটিও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে এটি মাদকসেবী ও কিশোর গ্যাংদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে, যা আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি করেছে।

আশেপাশের বাড়িগুলোর কয়েকজন কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই বাড়িতে নিয়মিত মাদক সেবনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও অনৈতিক কার্যকলাপ চলছে। এতে শুধু আশপাশের বাসিন্দারাই নয়, পাশের সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ধানমন্ডির ওই চারতলা বাড়িটি এখন পুরোপুরি ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে। বাড়ির প্রতিটি তলায় আড্ডায় মেতে আছে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী কিশোরদের দল, যাদের অধিকাংশই মাদকসেবী। সেখানে কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্ককেও প্রকাশ্যে মাদক সেবন করতে দেখা যায়। ওই বাড়ি থেকে নারীদের সঙ্গেও কিছু লোককে বের হতে দেখা যায়। এই চিত্র ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নজরদারি না থাকায় দিনে-দুপুরে এমনকি রাতেও ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে প্রবেশ করছে কিশোর গ্যাং, মাদকসেবী এবং নারীসহ নানা শ্রেণির লোক। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর সেখানে সন্দেহজনক গতিবিধি আরও বেড়ে যায়। ধানমন্ডি লেকসংলগ্ন এই ভবনটি এখন এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ডের এক কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। এসব চললেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তেমন কোনো তৎপরতা কিংবা নজরদারি চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জিসানুল হক জানান, বাড়িটি আমাদের নজরদারিতে রয়েছে। পুলিশ নিয়মিত টহল পরিচালনা করছে। এর মধ্যেও কেউ কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধী কেউই ছাড় পাবে না।

সুধা সদনের পাশের বাড়ির বাসিন্দা নিরঞ্জন জানিয়েছেন, বাড়িটি ভাঙচুর হওয়ার পর প্রথম দিকে এলাকায় চুরির ঘটনা বেড়ে গিয়েছিল। তাই আমরা নিজেরা কিছুদিন নজরদারি করেছি। কিন্তু ধীরে ধীরে এই বাড়িটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। ছোট-বড় সব বয়সী লোকজনই এখানে আসছে। আমরা এখন নিরাপত্তাঝুঁকিতে রয়েছি।

তথ্যসূত্র : আজকের পত্রিকা

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজয়ী হয়ে যা বললেন রিয়াজুল

সুখবর পেলেন বিএনপি নেত্রী রাহেনা

এবার সহযোগিতা চাইলেন আমজনতার তারেক

গোপালগঞ্জে শতাধিক আ.লীগ কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কবে নামছে বাংলাদেশ, কারা প্রতিপক্ষ—জানাল আইসিসি

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

শীর্ষ ৩ পদে কত ভোট পেয়ে জিতল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল

জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

জুলাইয়ে বীরত্ব : সম্মাননা পেল ১২শ আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিক

১০

পাকিস্তানের আকাশসীমায় অসুস্থ হওয়া বিমানের যাত্রীর মৃত্যু, তদন্তের মুখে পাইলট

১১

ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়

১২

আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম

১৩

৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে

১৪

ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যায় মামলা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

১৫

কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আবছারকে কারাদণ্ড

১৬

‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীরা বাড়ির বাইরে থাকতে পারবে না’

১৭

এবার আর্থিক সহায়তা চাইলেন হান্নান মাসউদ

১৮

‘জুলাই বার্তাবীর’ সম্মাননা পেলেন কালবেলার আমজাদ

১৯

দুই বন্ধুর একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গেই মৃত্যু

২০
X