

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স বৈধপথে দেশে পাঠানোর বিষয়ে উৎসাহী করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী হয়েছেন ফরিদপুরের বন্যা খাতুন।
শনিবার (১৪ মার্চ) মধুখালী উপজেলার দুবাইপ্রবাসী স্বামী মো. ফরিদের পাঠানো রেমিট্যান্স নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করে তিনি এ পুরস্কার জিতেছেন।
সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে পুরস্কার হিসেবে স্বর্ণের হার তুলে দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এসময় সেখানে নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্বর্ণের হার উপহার পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত হন দুবাই প্রবাসী ফরিদের সঙ্গে। তিনি কথা বলেন অভিনেত্রী টয়ার সঙ্গেও। এসময় ফরিদ বলেন, ‘নগদে এমন একটা ক্যাম্পেইন চলছে সেটা জানতাম। কিন্তু এ স্বর্ণের হারটা যে আমার ঘরেই যাবে সেটা চিন্তাও করিনি। দুবাই থেকে পরিবারের জন্য নিয়মিত নগদের মাধ্যমেই রেমিট্যান্স পাঠাই, কিন্তু এত বড় একটা গিফট পাব সেটা ছিল আমার ভাবনার বাইরে।’
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দ্রুত ও নিরাপদে দেশের প্রিয়জনদের মোবাইলে পৌঁছে দিতে কাজ করছে নগদ। ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসীদের পরিবারের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ্য তৈরি করতেই ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে এ ক্যাম্পেইন চালু করে নগদ। ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিট্যান্স পাঠালেই দেশে থাকা প্রিয়জনদের জন্য স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
এ ক্যাম্পেইন বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময়ই তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান, যা আমাদের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আগে বিদেশ থেকে আসা অর্থের অঙ্ক আরেকটু বড় হয়। আমরা এ পুরো ঘটনাটিকে আরো আনন্দময় করতেই ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইন চালু করি। এ প্রক্রিয়ায় নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে যদি স্বর্ণের হার জিতে নেওয়া যায়, তাহলে সেটি হবে ওই প্রবাসী ও তার স্বজনদের জীবনের একটি বিশেষ ঘটনা।’