লালমনিরহাটের ৯ বছর পূর্ণ হলো ছিটমহল বিনিময়ের। ২০১৫ সালের এদিনে (১ আগস্ট) ৬৮ বছরের বন্দিদশা থেকে মুক্তিপান লালমনিরহাটের ৫৯টিসহ দেশের ১১১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা। এরপর সরকারের নানামুখী উদ্যোগে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রে হয়েছে উন্নয়ন।
যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও চাকরিসহ সব মৌলিক অধিকারে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন ছিটমহলবাসীরা। তাই প্রতি বছরের মতো ছিটমহল বিনিময়ের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা। এদিকে দেশের অভ্যন্তরে থাকা সবচেয়ে বড় অধুনালুপ্ত ছিটবাসীদের ভাগ্য পরিবর্তনে নানা উন্নয়নের পাশাপাশি বিশেষ নজর রাখার কথা জানায় প্রশাসন।
বাংলাদেশ বিলুপ্ত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কেন্দ্রীয় কমিটির গোলাম মতিন রুমী বলেন, চুক্তির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে থাকা ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলিত হয়। মুক্তি মেলে ৬৮ বছরের দীর্ঘ বন্দিজীবন কাটানো মানুষদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে।
লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্লাহ কালবেলাকে বলেন, লালমনিরহাটের ৫৯টি বিলুপ্ত ছিটমহলের উন্নয়নে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিলুপ্ত ছিটমহল এলাকার রাস্তাগুলো পাকাকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকা এসব এলাকার মানুষদের এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধাসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হয়েছে। আগামীতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখা হবে।
মন্তব্য করুন