তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৪৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

হেঁটে ছেড়াদ্বীপ থেকে তেঁতুলিয়ায় জাফর

তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধায় জাফর সাদেক। ছবি : কালবেলা
তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধায় জাফর সাদেক। ছবি : কালবেলা

নিরাপদ সড়কের সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে হেঁটে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ থেকে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় পৌঁছলেন জাফর সাদেক নামে এক ভ্রমণকারী।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্টে এক হাজার কিলোমিটার হেঁটে ভ্রমণ শেষ করেন জাফর সাদিক। এ সময় বাংলাবান্ধায় অবস্থান করে জাফর সাদিকের সহকর্মীরা অভ্যর্থনা জানান।

জাফর সাদেক পেশায় একজন ব্যাংকার। ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বত এলব্রুস এবং আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত কিলিমানজারোসহ হিমালয়ের বেশ কিছু পর্বতে অভিযান করেছেন তিনি।

জাফর সাদেক কালবেলাকে বলেন, ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার সমুদ্র সাঁতরে পাড়ি দেওয়ার মধ্য দিয়ে ভ্রমণ শুরু করি। ২১ দিনে হেঁটেছি ১৩টি জেলা। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়। শনিবার বাংলাদেশের উত্তরের তেঁতুলিয়ায় এক হাজার কিলোমিটার হেঁটে ভ্রমণ শেষ করেছি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথযাত্রায় মহাসড়কে অনেক বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েছে। হাঁটতে হাঁটতে নানা শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। তাদের সঙ্গে নিরাপদ সড়ক বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই জনবহুল দেশে মহাসড়কগুলো যেন এক মরণফাঁদ। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ মারা যাচ্ছে। চলার পথে এমন ঘটনা চোখের সামনে ঘটতে দেখেছি।

এ ভ্রমণকারী বলেন, মহাসড়কের পাশে যাদের বসবাস তাদের চলাচলের জন্য অধিকাংশ স্থানেই কোনো রাস্তা নেই। তাই বাধ্য হয়ে মহাসড়কে অটোরিকশা, অটোরিকশাসহ সব ধরনের যানবাহন চলছে। এর ফলে দূরপাল্লার যানবাহন চলার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। মহাসড়কের পাশে সার্ভিস লেন থাকলে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। দুর্ঘটনারোধে ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। আমার এ পথযাত্রার অন্যতম লক্ষ্যই হচ্ছে নিরাপদ সড়ক চাওয়া। যাতে মানুষ নিরাপদে বাঁচে। সুস্থতার জন্য মানুষ প্রতিদিন হাঁটে, ব্যায়াম করে। জীবনের জন্য ভ্রমণ করে নিজেদের জানতে পারে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে যাচাই-বাছাইয়ে গিয়ে ২ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

দেশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য আমৃত্যু লড়েছেন খালেদা জিয়া : খায়রুল কবির

অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি ১ কোটি টাকা

প্রশাসন নিরপেক্ষ না থেকে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে : হাসনাত

শরীয়তপুরে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা / বাদী হয়ে বাবার মামলা, তৃতীয় দিনেও অধরা দুর্বৃত্তরা

পুলিশ স্বামীর ইউনিফর্ম পরে স্ত্রীর ‘টিকটক’, কনস্টেবল প্রত্যাহার

‘আমরা থানা পুড়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’, বৈষম্যবিরোধী নেতার হুমকি

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

যে কারণে বাতিল হলো হামিদুর রহমান আজাদের মনোনয়ন

চমক রেখে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল জিম্বাবুয়ে

১০

শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

১১

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশের একমাত্র মাধ্যম নির্বাচন : কবির আহমেদ

১২

সাকিবকে পিছনে ফেলে নতুন উচ্চতায় মুস্তাফিজ

১৩

অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ

১৪

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন গোলাম হাফিজ কেনেডি

১৫

ওসমান হাদি ৫ বছর বাঁচলে দেশ হতো জনতার : মাসুমা হাদি

১৬

চাঁদা না দেওয়ায় এক শীর্ষ ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি

১৭

খালেদা জিয়ার মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড : রিজভী

১৮

ক্ষমা চেয়েও পদ হারালেন বিএনপি নেতা ‎ ‎

১৯

গণভোটে ‌‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‌‘না’ দিলে কী পাবেন না

২০
X