পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৫৬ এএম
আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৩৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ

স্বামীর কবর দেখতে গিয়ে ‘মারধরের’ শিকার জুলাই শহীদের স্ত্রী

শহীদ মঞ্জুরুল ইসলাম।। ছবি : সংগৃহীত
শহীদ মঞ্জুরুল ইসলাম।। ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রংপুরের পীরগাছার শহীদ মঞ্জুরুল ইসলামের স্ত্রী রহিমা বেগমকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে দেবরের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে এ অভিযোগ করেন তিনি।

রহিমা বেগম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই ঢাকার গাজীপুর জয়বাংলা রোডে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন তার স্বামী রিকশাচালক মঞ্জুরুল ইসলাম। মৃত্যুর পর তার স্বামীকে রংপুরের পীরগাছার ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ান গ্রামে দাফন করা হয়। স্বামীর মৃত্যুর পর রহিমা বেগম তার দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকতে শুরু করেন।

তবে কিছুদিন যেতে না যেতেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করায় তিনি স্বামীর বাড়ি ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। তখন থেকে তিনি উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের সাহেববাজার সংলগ্ন বেড়িবাঁধে সন্তানদের নিয়ে থাকছেন।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে তার মেয়ে মোহনা আক্তার (৫) বাবার কবর দেখতে যাওয়ার আবদার করেন। মেয়ের আবদার রাখতে রহিমা তার সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি জুয়ান গ্রামে যান। সেখানে যাওয়ার পর তার শ্বশুর ও শাশুড়ি তাকে দেখে খারাপ আচরণ করা শুরু করেন। তাদের সঙ্গে রহিমার কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তার ছোট দেবর শহিদুল ইসলাম (২৬) তাকে বলেন, ‘তুই কেন এসেছিস এখানে। তোর এখানে আসার কোনো অধিকার নেই।’

রহিমা বলেন, ‘এখানে আমার স্বামীকে কবর দিয়েছি। আমার সন্তানের অধিকার আছে তাদের বাবার কবর দেখার। আমরা এখানে অবশ্যই আসব।’ এ কথা শুনে শহিদুল ইসলাম তাকে গালমন্দ করা শুরু করেন। রহিমা বেগমও তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ালে শহিদুল তার বুকে লাথি মারেন। এতে রহিমা তার কোলের সন্তানসহ মাটিতে পড়ে যান।

এ ঘটনায় রহিমা বেগম পীরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, তার ভাবির সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়েছে। তবে তিনি তাকে লাথি মারেননি।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, এ বিষয়ে তারা একটি অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তারা দেখছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ড ম্যাচে জার্সি বদলাতে চাইছে আর্জেন্টিনা, কিন্তু কেন?

ইসলামাবাদ সমঝোতা শেষ, সব মার্কিন ঘাঁটিই এখন লক্ষ্যবস্তু: ইরান

৪ জেলার মানুষের ভোগান্তির সেই সড়কে উন্নয়ন কাজ শুরু

বন্যার পানিতে যে ১০ ভুল কখনো করবেন না

৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুমিল্লা নগরী

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন কমিটি

যুবদল নেতা রুবেল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা

‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনে চার দফা প্রস্তাব শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশনের

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবি

ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১০

ঢাবির দুই ছাত্রী হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্যোগ মোকাবিলায় ৭ সদস্যের কমিটি গঠন

১১

স্বাধীনতার ৫৭ বছরেও পাকা হয়নি ভরিপাশা-তালতলী সড়ক

১২

চট্টগ্রামে বন্যায় সাপের কামড়ে আহত ৭৫

১৩

চট্টগ্রামে নামছে বন্যার পানি, ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

১৪

এনসিসি ব্যাংক ও আকিজ রিসোর্স গ্রুপের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

১৫

ঢাবির খেলার মাঠে জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে দেশীয় মাছ অবমুক্ত করবে ডাকসু

১৬

সীতাকুণ্ডে জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে কারখানার সড়ক অবরোধ

১৭

সেমিফাইনালে কখনোই হারেনি আর্জেন্টিনা, এবার কী হবে

১৮

৩০০ তরুণ-তরুণীকে চাকরি দেবে প্রশিকা, দ্রুত আবেদন করুন

১৯

চট্টগ্রাম নগরীতে কমেছে জলাবদ্ধতা, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে নগরজীবন

২০
X