

সুন্দরবন সংলগ্ন রিসোর্ট থেকে দুই পর্যটকসহ রিসোর্ট মালিককে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে পূর্বসুন্দরবনের ঘাগরামারী টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন কেনুয়ার খালের মুখ থেকে থেকে তাদের অপহরণ করা হয়।
সুন্দরবন ইকো রিসোর্টের ডিএমডি মো. রেজোয়ান উলহক মিঠু কালবেলাকে জানান, ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা ৬ জন পর্যটক নিয়ে গোলকানন রিসোর্টের মালিক নৌকা নিয়ে শুক্রবার বিকেলে সুন্দরবনের খালে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যার কিছু আগে তারা রিসোর্টে ফেরার সময় বনদস্যুরা তিনজনকে তুলে নিয়ে যায়। বাকি ৪ জনকে ছেড়ে দেয়।
অপহৃত দুই পর্যটক হলেন— মো. সোহেল ও মো. জনি। এ ছাড়া রিসোর্ট মালিকের নাম শ্রীপতি বাছাড়।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ৮টা পর্যন্ত অপহরণের শিকার তিনজন বনদস্যুদের কব্জায় ছিল।
রেজোয়ান উল হক আরও জানান, জিম্মি থাকা রিসোর্ট মালিক ও পর্যটকদের কাছে দস্যুরা মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করছে।
জানা যায়, শুক্রবার নারী-পুরুষসহ ৪ পর্যটক ঢাকা থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। ওইদিন দুপুরে তারা সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকায় অবস্থিত রিসোর্ট ‘গোলকানন’-এ ওঠেন। পরে বিকেলে গোলকানন রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড়সহ ৭ পর্যটক বোটে করে বনের কেনুয়ার খালের মধ্যে ঘুরতে যান।
এ বিষয়ে বনবিভাগের ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা সুরজিৎ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে কোনো দস্যু বাহিনী এ পর্যটকদের অপহরণ করেছে কি না তা নিশ্চিত করে জানতে পারেননি।
খুলনার দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান কালবেলাকে বলেন, সুন্দরবনে অপহৃত রিসোর্ট মালিক ও দুই পর্যটককে উদ্ধারে থানা পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের তৎপরতা চলছে।
মন্তব্য করুন