

শরীয়তপুরের ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ১০টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২১ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের হাতে বরাদ্দকৃত প্রতীক তুলে দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম।
শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪৯ জন ভোটারের বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম। রিকশা প্রতীকে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি মো. তোফায়েল আহমেদ, শাপলা প্রতীকে এনসিপির আব্দুর রহমান এবং ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের ফিরোজ আহমেদ নির্বাচন করছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোটরসাইকেল প্রতীকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও ঘোড়া প্রতীকে মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫২ জন ভোটারের বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান কিরন নির্বাচন করছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদ হোসেন, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের ইমরান হোসেন, বটগাছ প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মাহমুদুল হাসান, ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের আখতারুজ্জামান সম্রাট, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির জসিম উদ্দিন এবং কলম প্রতীকে জনতার দলের পারভেজ মোশাররফ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কম্পিউটার প্রতীকে আলমগীর হোসেন ও সোফা প্রতীকে মো. নাসির নির্বাচন করছেন।
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ) আসনে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৯৯ জন ভোটারের বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু নির্বাচন করছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. আজহারুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির আব্দুল হান্নান এবং হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের হানিফ মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম বলেন, শরীয়তপুরের তিনটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের ১৭ জন দলীয় প্রার্থী ও চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। সব প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা।
মন্তব্য করুন