ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পিএম
আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

হেলিকপ্টারে করে স্ত্রীকে নিয়ে আসলেন নাহিদ

নাহিদ ও তার স্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পরিবারের সদস্যরা। ছবি : কালবেলা
নাহিদ ও তার স্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পরিবারের সদস্যরা। ছবি : কালবেলা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন সরকারি কলেজের মাঠে উৎসুক স্থানীয় মানুষের সমাগম। সিঙ্গাপুর প্রবাসী নাহিদ খন্দকার তার স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে এখানে অবতরণ করবেন বলে তাদের এ উৎসাহ। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাঠে হেলিকপ্টারে অবতরণ করেন এ দম্পতি।

বুধবার (৩১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কলেজ মাঠে হেলিকপ্টার অবতরণ করলে ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন পরিবারের সদস্যরা।

জানা গেছে, ঘাটাইলের দিগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণশাসন এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের ছোট ছেলে নাহিদ। ২২ বছর আগে সিঙ্গাপুরে যান তিনি। সেখানে বাংলাদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি প্রাণের মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে বর্তমানে কাজ করছেন। উভয়পক্ষের পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে সিঙ্গাপুরের নাগরিক সারাহর সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবার বাংলাদেশে বেড়াতে আসার দিনটিকে স্মরণীয় রাখতে হেলিকপ্টারে চরে তারা গ্রামে এসেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজ মাঠে অন্যান্য মানুষজনের সাথে সে সময় উপস্থিত উৎসুক যুবক আরাফাত রহমান অপু। তিনি কালবেলাকে বলেন, প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টার স্বচক্ষে দেখলাম। এলাকার এক ভাই বিদেশি স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চরে কলেজের মাঠে অবতরণ করায় এ সুযোগটা পেলাম। বিষয়টি ভালো লেগেছে।

ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সুলতানা তাবাচ্ছুম বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চরে গ্রামের বাড়িতে আসার ঘটনা অনুপ্রাণিত করে। তাদের দেখে আমরা আনন্দিত।

নাহিদের ফুফাতো ভাই হারুন অর রশিদ বলেন, সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন ধরে থাকছেন নাহিদ। সেখানেই বিয়ে করে নতুন বউকে নিয়ে সে এবারই প্রথম দেশে এসেছে। তার ইচ্ছা ও স্বপ্ন ছিল নববধূকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে আসবে। তার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমরা তাদের বরণ করে নিয়েছি।

জন্মভূমিতে ফিরে পরিবার সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়দের ভালোবাসায় মুগ্ধ নাহিদ এবং তার স্ত্রী সারাহ। নাহিদের স্ত্রী বাংলায় কথা বলতে না পারলেও ইংরেজিতে তার অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সে সময় তাকে উচ্ছ্বসিত এবং আনন্দিত অবস্থায় দেখা গেছে।

নাহিদ খন্দকার কালবেলাকে বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চরে জন্মভূমিতে আসার স্বপ্ন ছিল। সেটি বাস্তবায়িত হওয়ায় ভালো লাগছে। কয়েক বছর আগে পারিবারিক সম্মতিতে আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি। ১০ দিনের ছুটি নিয়ে এসেছি। এ কয়দিন আমরা বাংলাদেশে থাকব।

নাহিদের বাবা জসিম উদ্দিন বলেন, আমার দুই সন্তান নাসির খন্দকার ও নাহিদ খন্দকার দুজনেই সিঙ্গাপুরে কর্মরত। তাদের মধ্যে ছোট ছেলে নাহিদ দীর্ঘ ২২ বছর সিঙ্গাপুরে কর্মরত রয়েছে। উভয় পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে সিঙ্গাপুরের নাগরিক সারাহকে সে বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করছে। স্ত্রীকে নিয়ে এ প্রথমবার গ্রামের বাড়িতে এসেছে। বিমানে প্রথম ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে চরে ঘাটাইলে এসেছে তারা। স্ত্রীকে নিয়ে ছেলের গ্রামের বাড়িতে আসায় খুবই ভালো লাগছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা নিহত

মধ্যস্থতার বার্তা নিয়ে তেহরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন বাজেটে পে-স্কেল নিয়ে বড় ধামাকা

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / বড় অঙ্কের জরিমানাও দিতে হবে সোহেল-স্বপ্নাকে

 বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

ঈদযাত্রায় প্রাণ হারালেন ৪৩৮ জন

নতুন উড়োজাহাজ কিনছে আমিরাতের ইতিহাদ এয়ারওয়েজ

চট্টগ্রামজুড়ে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা

গাজায় শৌচাগার সংকটে মানবেতর জীবন, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

১০

‘শুধু ফাঁসির আদেশ দিলেই হবে না, কার্যকরও করতে হবে’

১১

পল্লবীর সেই ধর্ষণ ও হত্যা মামলা : আদালতে যা প্রমাণিত হলো

১২

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / রায়ের পর কাঁদছেন স্বপ্না, নির্বাক সোহেল

১৩

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

১৪

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় পড়া চলছে

১৫

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / আদালত প্রাঙ্গণে যেসব দাবি জানাচ্ছেন রায় শুনতে আসা মানুষ

১৬

মেয়ে হত্যার রায় শুনতে আদালতে রামিসার বাবা 

১৭

শাপলা চত্বর হত্যা মামলা / দীপু মনি-ফারজানা রূপাসহ ৯ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির

১৮

বিশ্বকাপ ভিসা প্রত্যাখ্যান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা ইরানের

১৯

ট্রেনের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

২০
X