

ভারত থেকে অবৈধ পুশইন ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সিলেট সীমান্তজুড়ে জনসচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
শনিবার (৬ জুন) রাত থেকে সিলেট সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বিজিবি। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্তে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে চিহ্নিত রুটগুলোতে স্ট্যান্ডবাই ডিউটি, নিজস্ব ও বেসামরিক গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক মো. নাজমুল হক বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী জনপদে মাইকিং, গণসংযোগ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্তে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কর্মকাণ্ড নজরে এলে দ্রুত বিজিবিকে অবহিত করার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবির এ উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও সীমান্ত নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন।
সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক মো. নাজমুল হক কালবেলাকে বলেন, অবৈধ পুশইন এবং সীমান্তে অপরাধ প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে জনসচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অপরাধ রোধে সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। চিহ্নিত রুটসমূহে স্ট্যান্ডবাই ডিউটি, নিজস্ব ও বেসামরিক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি মাইকিং, গণসংযোগ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হচ্ছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।