কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এমপি হতে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ, বাতিল হলো মনোনয়ন

সাবেক সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস। ছবি : কালবেলা
সাবেক সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস। ছবি : কালবেলা

রাজবাড়ী-১ (সদর-গোয়ালন্দ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং সদ্য সাবেক সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাসের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাসের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

এর আগে সোমবার (২৭ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাসের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপর ৩০ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খানের কাছে মনোনয়ন ফরম দাখিল করেন তিনি।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্তৃক এক শতাংশ সমর্থনসূচক তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রদত্ত ১০ জন ভোটারের তথ্য যাচাইবাছাইয়ে দুইজন ভোটারের সমর্থনের তথ্য সঠিকভাবে পাওয়া যায়নি। তারা ইমদাদুল হক বিশ্বাসের পক্ষে তালিকায় স্বাক্ষর করেননি। তাই ভোটারের তথ্য সঠিকভাবে না পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্তৃক এক শতাংশ সমর্থনসূচক তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রদত্ত ১০ জন ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে দুইজন ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়নি। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন যাচাইবাছাই বিধিমালা ২০১১-এর ৫ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। পরে আইন অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস বলেন, আমি মনে করি আমার মনোনয়নপত্রটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বাতিল করা হয়েছে। সমর্থনে ৪ হাজার ৪৪ জনের স্বাক্ষর দেওয়ার কথা সেখানে ৪ হাজার ৩১২ জনের সমর্থিত ব্যক্তির কাগজ দিয়েছি। যারা বিষয়টি তদন্ত করেছে তাদের তদন্তটি সঠিক হয়নি। অথবা তারা আমার সমর্থকের কাছে বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেনি। আমি যে সমর্থনের তথ্য দিয়েছি সেখানে একটি জায়গায় স্বাক্ষর বাদ নেই, তথ্যগত ভুল নেই। আমি আমার নিজস্ব লোক ও আত্মীয়স্বজন দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছি। সবার মোবাইল নম্বর দিয়েছি সেখানে। আমার মনোনয়নপত্রটি অবৈধভাবে বাতিল করা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করব।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, মনোনয়ন ফরম যাচাইবাছাই করা হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়ন আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৮ ডিসেম্বর এবং নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত চলবে।

ভোটগ্রহণ আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের জন্য ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ৫৯২ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিশু নির্যাতন : শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকে উঠে গেল বাস, নিহত ২

ইরানের উদ্দেশ্যে যুদ্ধজাহাজের বড় বহর পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিঅ্যাক্টর চালু প্রক্রিয়া স্থগিত

ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

অজানা ভাইরাসে মরছে গাজার মানুষ

বাসচাপায় প্রাণ গেল শ্যালক-দুলাভাইয়ের, বাসে আগুন দিল বিক্ষুব্ধরা

শুক্রবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

২৩ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১০

১৬ ঘণ্টায় সাত জেলায় সমাবেশ, ভোরে ঢাকায় ফিরলেন তারেক রহমান

১১

সাত মাস পর কারামুক্তি, ৫ মিনিট পর ফের গ্রেপ্তার

১২

এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে : তারেক রহমান

১৩

জবি সিন্ডিকেটের সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. মঞ্জুর মুর্শেদ

১৪

বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আজ

১৫

রাজউক অধ্যাদেশ জারি, বোর্ড সদস্য হবেন ৭ জন

১৬

নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যালট বাক্স ছিনতাই সম্ভব নয় : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

সিজিএসের সংলাপ / ‘মিন্টো রোডে সচিবদের ফ্ল্যাট বিলাসবহুল হোটেলকেও ছাড়িয়ে গেছে’

১৮

ঢাবিতে ধানের শীষের পক্ষে ছাত্রদল নেতার শুভেচ্ছা মিছিল 

১৯

জবি শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির তালিকা প্রকাশ

২০
X