শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
শরফ উদ্দিন জীবন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৪, ০৪:২৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

চলমান শৈত্যপ্রবাহে নিকলীতে ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ

খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন কয়েকজন মানুষ। ছবি : কালবেলা
খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন কয়েকজন মানুষ। ছবি : কালবেলা

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও দেখা মেলেনি সূর্যের বইছে শৈত্যপ্রবাহ। কষ্ট করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষদের। ঠান্ডাজনিত ও শ্বাসকষ্টসহ রোগে আক্রান্ত হয়ে ডে-কেয়ার ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসা নিতে আসছেন অনেক রোগী।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকালে কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা নিকলীতে দেশের সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বৃহস্পতিবারও নিকলীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।

নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের কৃষক সোলায়মান জানান, এ বছর শীত অনেক বেশি। যার কারণে জমিতে কাজ করতে যাওয়া যাচ্ছে না। হাওরে কাজ করতে গেলে বাতাসে অসুস্থ হয়ে পড়তে হয়। জ্বর, সর্দি ও কাশি লেগেই থাকে।

দিনমজুর খাইরুল ইসলাম বলেন, আমরা হাওড় এলাকার মানুষ দিন আনি দিন খায়। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তাপমাত্রা কম থাকায় বোরো জমিতে কাজ করতে প্রচুর কষ্ট হয়েছে। একদিকে বাতাস আর অন্যদিকে সূর্য না থাকায় আমাদের সারাদিন কষ্ট করতে হয়েছে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে খড় দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শরীরটা গরম করি। ঠান্ডায় হাত-পা ব্যাথা করে।

ভাঙ্গারি ক্রয়ের হকার নুরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার ঠান্ডার কারণে ঘর থেকে বের হতে পারিনি। আজকেও শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ঠান্ডার জন্য বেলা ১১টায় বের হয়েছি। ভাঙ্গারি ব্যবসার কারণে হকারি করতে সকালে পাড়া মহল্লায় ঘুরতে হয়। চারদিকে কুয়াশা আর ঠান্ডার জন্য ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে। মানুষজন ঘুম থেকে সকাল সকাল না উঠতে পারায় ভাঙ্গারি কিনতে পারছি না।

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সজীব ঘোষ জানান, গত ৩ দিনে গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন রোগী শ্বাসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ডে-কেয়ার ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসা নিতে আসছেন, যাদের অধিকাংশই শিশু। এ মাসে ভর্তি হয়ে ১২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। ঠান্ডাজনিত রোগ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিকিৎসা সরাঞ্জামাদি রয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষাই জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল ভিত্তি: মিফতাহ্ সিদ্দিকী

ইপিজেড-সল্টগোলার জলাবদ্ধতা নিরসনে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণের উদ্যোগ

শিক্ষাজীবন থেকেই সঞ্চয় ও বিনিয়োগের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত: ড. জামাল উদ্দিন

ভারতের সাথে পারল না বাংলাদেশ

পানিতে ডুবে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

বিশ্বকাপের মাঝে একই ঘরে স্বামী-স্ত্রী! পাকিস্তান মহিলা দলে বিতর্কের আগুন

আশুরা স্মরণ করিয়ে দেয় ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি : প্রধানমন্ত্রী

ভুলে পাকিস্তানের আকাশসীমায় ভারতীয় বিমান, যা ঘটল পাইলটের সঙ্গে

এ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল যারা

বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ককে আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র

১০

বিশ্বকাপে লাল কার্ডের রেকর্ডে শীর্ষে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার অবস্থান কোথায়

১১

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর

১২

‘হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েল’

১৩

মিয়ানমার থেকে আসা ২.৫ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ

১৪

বিশ্বকাপের মাঝেই বিপর্যয়! প্রতিযোগিতা থেকে এক দেশকে নিষিদ্ধ করল ফিফা

১৫

হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজে হামলা

১৬

আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণে সহায়তা দেওয়া হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

১৭

বেইজিংয়ে বাংলাদেশ-চীন বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর

১৮

যবিপ্রবিতে ফলাফল প্রকাশে জটিলতা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

১৯

গাছা থানার ওসি প্রত্যাহার

২০
X