রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ছাড়া পেলেন অজানা ভাইরাসে মারা যাওয়া ২ শিশুর মা-বাবা

শিশু মুনতাহা মারিশা ও মুফতাউল মাশিয়া। ছবি : সংগৃহীত
শিশু মুনতাহা মারিশা ও মুফতাউল মাশিয়া। ছবি : সংগৃহীত

অজানা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশু মুনতাহা মারিশা ও মুফতাউল মাশিয়ার মা-বাবাকে ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তাদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের আইসোলেশনে রাখা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) ইনচার্জ ডা. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘গত রোববার শিশুদের মায়ের শরীরে হালকা জ্বর ছিল। সোমবার তারা বেশ সুস্থ থাকায় তাদের হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। তবে বাড়িতেও তাদের আপাতত আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছে। কারণ, আমরা বলছি বাচ্চা দুটি অজানা এক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। কিন্তু অজানা সেই ভাইরাসটি আসলে কী সেটি কিন্তু এখন পর্যন্ত আইডেন্টিফাই করা সম্ভব হয়নি। ভাইরাস শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের পরিবারের লোকজন থেকে আলাদা থাকতে বলা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিন বলেন, ‘কিছু নমুনা আমরা রামেক হাসপাতালে যে ল্যাব রয়েছে সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। আবার কিছু ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সব নমুনার ফল আমরা এখনো হাতে পাইনি। সুতরাং কোন জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে শিশু দুটি মারা গেছে তা শনাক্ত করা যায়নি। আবার অধিকতর তদন্তের জন্য ঢাকার বিশেষজ্ঞ টিম দিনব্যাপী রামেক হাসপাতাল এবং ক্যাডেট কলেজ থেকে নমুনা ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন। সবকিছু মিলেই আমরা আসলে চেষ্টা করছি কী কারণে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে তা জানার।’

আগামী ২ মার্চ মুনতাহা মারিশার বয়স হতো দুই বছর। আর ৩০ মে পাঁচ বছর পূর্ণ হতো মুফতাউল মাশিয়ার বয়স। তাদের বাবার নাম মনজুর রহমান (৩৫)। তিনি রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিতের প্রভাষক। বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামে। তবে স্ত্রী পলি খাতুন (৩০) ও দুই মেয়েকে নিয়ে চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারেই থাকতেন তিনি।

মারা যাওয়া দুই শিশুকে গত মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাসের গাছতলা থেকে বরই কুড়িয়ে এনে খেতে দিয়েছিলেন গৃহকর্মী। বরইগুলো ধোয়া ছিল না। বরই খাওয়ার পর দিন বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) হঠাৎ ছোট মারিশার গায়ে জ্বর আসে এবং বমি করতে থাকে। পরে ওই দিনই হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। এর দুদিন পর শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মাশিয়ারও জ্বর ও বমি শুরু হয়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। পর দিন শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাশিয়াও মারা যায়।

কালবেলা/এএএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

‘নাক টিপলে দুধ বের হয় পাটওয়ারীর, আবার প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করে’

দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করতে চান না ট্রাম্প

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোজাম্মেল হক

ওয়াশিংটনে গেলেন নেতানিয়াহু

ইতিহাসের এই দিনে কী ঘটেছিল

আজকের নামাজের সময়সূচি

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জায়গা নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে নিয়োগ, সপ্তাহে ২দিন ছুটি

সিলেটে গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩

১০

হরমুজ প্রণালির জাহাজগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি, অভিযোগ ইরানের

১১

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

১২

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

১৩

মানবদেহ সম্পর্কে ১০ বিস্ময়কর তথ্য, যা জানলে অবাক হবেন আপনিও

১৪

ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক, তদন্তের মুখে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো

১৫

রয়টার্স/ইপসসের জরিপ / ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক

১৬

দেশে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত সরকার

১৭

বিক্ষোভে এআই নজরদারি, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

১৮

মাতামুহুরীতে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সেনাবাহিনী

১৯

জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: আবদুল আউয়াল মিন্টু

২০
X