কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১০ পিএম
আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারে পর্যটকদের ঢল

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ভিড়। ছবি : কালবেলা
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ভিড়। ছবি : কালবেলা

ঈদুল ফিতরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নববর্ষ এবং সাপ্তাহিক ছুটিও। টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে পড়েছে দেশ। আর এ ছুটিতে বিপুল পর্যটকের সমাগম হয়েছে কক্সবাজারে।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত কানায় কানায় পূর্ণ।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, এবারের রমজানের মাঝামাঝি সময় থেকেই তীব্র দাবদাহ চলছে। ফলে অন্য সময়ের রমজানের চেয়ে পর্যটকশূন্য ছিল কক্সবাজার। কিন্তু শুক্রবার সকাল থেকে পর্যটন এলাকায় জনসমাগম বেড়েছে। গরম উপেক্ষা করেই বেলাভূমি লোকারণ্য হয়ে আছে। এ ধারা আরও দুদিন থাকবে বলে আশা করছি আমরা।

কুমিল্লা থেকে পরিবার নিয়ে আসা ফাহিম রহমান বলেন, ঈদের দিন আত্মীয়স্বজন বাড়িতে আসেন তাই কোথাও বেড়ানো হয় না। কর্মস্থল থেকে ছুটি পাওয়াও কষ্টসাধ্য। তাই দাবদাহ জেনেও দুদিনের জন্য শুক্রবার পরিবার নিয়ে কক্সবাজার এসেছি। প্রচণ্ড রোদ, এরপরও ঢেউয়ের সান্নিধ্য পেয়ে তা রোদ বলে মনে হচ্ছে না। বাচ্চা ও পরিবার খুবই উৎফুল্ল মনে সবকিছু উপভোগ করছে।

কক্সবাজার রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম ডালিম বলেন, রমজানের পর পর্যটক বরণে নগরীর আবাসান ও খাবারের ঘরগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। প্রস্তুতি নেয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী-হকাররাও।

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) সভাপতি তোফায়েল আহমেদ বলেন, কক্সবাজারে ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস ও রিসোর্টে প্রায় দেড় লাখের মতো পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। রোজা শেষ হবার আগে ১২-১৩ এপ্রিলের জন্য ৮০-৯০ শতাংশ রুম বুকিং হয়। তবে, পহেলা বৈশাখও পর্যটক উপস্থিতি মোটামুটি থাকবে বলে আশা করা যায়। সব মিলিয়ে এ দিন তিনেকে কয়েক লাখ পর্যটক আসতে পারে।

পর্যটন উদ্যোক্তা আবদুর রহমান বলেন, পর্যটকদের সেবায় হোটেল-মার্কেটের ব্যবসায়ী ও হকাররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকের নিরাপত্তা ও সেবায় সৈকত এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষনিক টহল রয়েছে। ঈদের ছুটিতে ব্যাপক পর্যটক সমাগমের কথা মাথায় রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া রয়েছে। সৈকতে পর্যটকদের ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করেছি আমরা। বিপদাপন্ন কোনো পর্যটক একটি বাটন টিপেই সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. ইয়ামিন হোসেন জানান, ঈদে টানা ছুটি পড়েছে, কিন্তু গরমও পড়ছে বেশি। এরপরও পর্যটক সমাগম আগের মতো বেশি হবে সেটা রোজা শেষ হওয়ার আগেই ধারণা করেছিলাম। শুক্রবার সেটা বাস্তবায়ন হয়েছে। রোজার মধ্যেই পর্যটক সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয় করেছি, যেন পর্যটকরা ভালো সেবা পায়। হোটেলে-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত টাকা আদায় ও অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধ এবং পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সৈকতে এবং আশপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে। আরও কয়েকদিন বালুচর ও কক্সবাজার লোকারণ্য থাকবে সেই আশা সবার।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, যুক্তরাষ্ট্রেও পড়েছে প্রভাব

সংবিধান সংস্কার নয় সংশোধন করতে চাই: মির্জা ফখরুল

বেলুচিস্তানে পাক বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ৩

বিদ্রোহীদের ২০৫ যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি সুদান সেনাবাহিনীর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অপেক্ষায় অভিভাবকরা

অবৈধভাবে বসবাসরত প্রবাসীদের সুখবর দিল ইতালি

লেবাননে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি গড়ছে ইসরায়েল

রোমে রেড অ্যালার্ট জারি, তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি ছোঁয়ার আশঙ্কা

ছয় মাসে তুরস্কের আকাশপথ ব্যবহার করেছে ১১ লাখের বেশি ফ্লাইট

ডেমরা পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবলের আত্মহত্যা

১০

শনিবার খোলা হতে পারে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

১১

কেন ফাইনাল দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট?

১২

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

১৩

আজকের আবহাওয়া সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যা জানা গেল

১৪

কমছে ধলাই নদীর পানি, ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী

১৫

সাগরেই গায়েব ৫৩০ রোহিঙ্গা!

১৬

কলকাতা বিমানবন্দরে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদে প্রবেশে বাধা

১৭

চাকরিজীবীদের দুই দফায় টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

১৮

এনসিপির সমাবেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

১৯

জিয়াউর রহমান হত্যা / ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার মোজাফফর, কোথায় ছিলেন এতদিন?

২০
X