কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:২৩ পিএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আদালতে মির্জা আব্বাস

এবার হেঁটে আসছি, পরের বার হয়তো হুইল চেয়ারে আসতে হবে

আদালতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি : কালবেলা
আদালতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি : কালবেলা

সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ সময় তার আইনজীবী কারাগারে ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন। তখন মির্জা আব্বাস আদালতকে বলেন, এর আগেরবার যখন আমাকে ও মির্জা ফখরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল তখন আমাদের ফাঁসির সেলে রাখা হয়েছিল। এবার আমাকে রাখা হচ্ছে ফ্লোরে। এবার তো হেঁটে আসছি। পরের বার হয়তো হুইল চেয়ারে করে আমাকে আদালতে আসতে হবে।

এদিন মামলার যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। মির্জা আব্বাসের আইনজীবী শাহিনুর রহমান, আমিনুল ইসলাম ও মহি উদ্দিন চৌধুরী জামিন ও সাফাই সাক্ষী চেয়ে আবেদন করেন। আদালত তাদের আবেদন গ্রহণ করেন। এরপর সাফাই সাক্ষী ও জামিন শুনানির জন্য আগামী ৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ২ নভেম্বর এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ধার্য ছিল। তবে মির্জা আব্বাস অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এজন্য আদালত ৫ নভেম্বর তাকে আদালতে হাজিরের জন্য কারা পরোয়ানা জারি করেন। গত ৩১ অক্টোবর আদালত সময়ের আবেদন না মঞ্জুর করে মির্জা আব্বাসের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সংগতিবিহীন ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট দুদকের উপপরিচালক মো. শফিউল আলম রাজধানীর রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হুদা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ২২ লাখ টাকার সম্পত্তির তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ২০০৮ সালের ১৬ জুন আদালত এ মামলার অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলার বিচার চলাকালীন আদালত ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সড়ক নয়, যেন ময়লার ভাগাড়: স্বাস্থ্যঝুঁকিতে স্থানীয়রা

পরিচালক শাহীন, টুটুল, গাজী মাহবুবের নামে জিডি, মানহানি মামলার প্রস্তুতি

সিএনএন-এর বিশ্লেষণ / মার্কিন হামলা প্রতিহত ও পাল্টা আঘাত হানতে সক্ষম ইরান

আশুলিয়ায় ডিবির বিশেষ অভিযান / হাজার লিটার চোলাইমদ ও ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন লামিন ইয়ামাল

একটানা বসে কাজ করার অভ্যাস কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়?

‘যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি লঙ্ঘন করায় তা আর বাস্তবায়ন করবে না ইরান’

স্পেনই জয়ের যোগ্য, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি: স্কালোনি

হারের পর মেসির ‘মলিন’ ছবি দিয়ে রোকোজ্জুর স্ট্যাটাস

মাংসের দাম নিয়ে সংঘর্ষ: বিএনপি নেতা বহিষ্কার

১০

সিলেটে ফের বাড়ছে নদ-নদীর পানি, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা

১১

যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো স্থল অভিযান প্রতিহত করা হবে: আইআরজিসি

১২

২ কোটি টাকার চেক প্রতারণায় রিজেন্টের সেই সাহেদ কারাগারে

১৩

চট্টগ্রামে ট্রেন বন্ধ থাকায় রেলওয়ের ক্ষতি ৮৮ লাখ টাকা

১৪

রাসায়নিক কীটনাশক কীভাবে কাজ করে?

১৫

গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

১৬

সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় চীনের প্রতিক্রিয়া

১৭

মোজাফফরের বিচার কোর্ট মার্শালে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা, একজনের মৃত্যুদণ্ড

১৯

বিলে ঝাঁপিয়ে ২ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

২০
X