কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ০৪:২৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পরিবার কল্যাণের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত

হাইকোর্ট ভবন। পুরোনো ছবি
হাইকোর্ট ভবন। পুরোনো ছবি

ইউনিয়ন পরিষদে মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবাদানকারী ‘পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা’ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ফলে ১ হাজার ৮০টি শূন্য পদে নিয়োগের ফলাফল প্রকাশে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে ইউনিয়ন পর্যায়ে মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবাদানকারী ‘পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা’ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের বৈধতা প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা পরিপত্র কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ৪ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ১০ মার্চ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার ১ হাজার ৮০টি শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তির তিন বছর পর ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তর পরীক্ষার ফল ঘোষণা করে ১১ মে। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ৭ হাজার ৬২১ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে ১৫মে থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ না করে গত ১৪ জানুয়ারি নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়।

রিটের পক্ষের আইনজীবী বলেন, ২০২০ সালে করোনা ভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার আগে থেকে সারাদেশে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার ২ হাজার ৬৭৬টি পদ শূন্য ছিল। এর মধ্যে ২০২০ সালে সরকার ১ হাজার ৮০টি শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। সাড়ে তিন বছর পর এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা হয়। মৌখিক পরীক্ষার পর ফল প্রকাশ না করে অনিয়মের অভিযোগ তুলে লিখিত পরীক্ষাটি বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে, ইতোমধ্যে মৌখিক পরীক্ষা পর্যন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকার ১৫ কোটি টাকার মতো ব্যয় করেছে। আবার লিখিত পরীক্ষা হলে আবারও ব্যয় হবে। আর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিয়োগ পেতে পেতে আরও তিন বছর লেগে যেতে পারে নিয়োগ প্রত্যাশীদের। ফলে সংক্ষুব্ধ নিয়োগ প্রত্যাশীদের পরীক্ষা বাতিলের পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভাতে মারার চেষ্টা করা হয়েছে: অভিষেক

নির্বাচনী ব্যয় বড় আকারে বাড়ছে

নাজমুল পদত্যাগ না করায় হোটেলেই ক্রিকেটাররা, প্রথম ম্যাচ নিয়ে শঙ্কা

লুটপাটের সময় ২ ডাকাতকে ধরে পুলিশে দিল জনতা

রাবিতে ছুটি নিতে ১৭ দপ্তরে ধর্ণা, ভোগান্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তারা

ইন্ডাস্ট্রির নায়করা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন: ইমরান হাশমি

রশিদদের বিদেশি লিগ খেলায় লাগাম টানছে আফগান বোর্ড

মেকআপ করলে সমস্যা, না করলেও সমস্যা!: হিমি

শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কেন কমেছে

১০

শাকসু নির্বাচন  / স্মারকলিপি থেকে স্বাক্ষর প্রত্যাহার ছাত্রদলসহ দুই ভিপি প্রার্থীর

১১

শাবিপ্রবিতে বিদ্যুৎস্পর্শে গুরুতর আহত শ্রমিক

১২

টাইব্রেকারে বোনোর দৃঢ়তায় ফাইনালে মরক্কো

১৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা মধ্যে আকাশপথ বন্ধ করল ইরান

১৪

সেই পরিচালকের পদত্যাগ দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, বিসিবির আশ্বাসেও গলছে না মন

১৫

দায়ের আঘাতে আহত বিড়াল, থানায় অভিযোগ

১৬

১৫ জানুয়ারি : কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে 

১৭

যেসব ফল নিয়মিত খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে

১৮

বিক্ষোভকারী এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান

১৯

৭৮টি ঘুমের ওষুধ খেয়েও কীভাবে বেঁচে আছেন দেবলীনা

২০
X