ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৪, ১০:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাঁধ খুলে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাবিতে মশাল মিছিল

ঢাবিতে মশাল মিছিল। ছবি : কালবেলা
ঢাবিতে মশাল মিছিল। ছবি : কালবেলা

নোটিশ ছাড়াই ডম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রতিবাদে এবং ভারতের সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর, হলপাড়া, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও শাহবাগ ঘুরে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মিশকাত তানিশার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন টেলিভিশন, ফিল্ম এন্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী রাজেকু্জ্জামান জুয়েল। তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশের মানুষের দূর্ভোগ ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনেরই ফল। আন্তর্জাতিক নদী আইন লঙ্ঘন করে নদীর উপর বাঁধ দিয়ে ভারত নদী আগ্রাসন চালিয়েছে।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মুস্তাকিম বলেন, আবরার ফাহাদকে হত্যাকারী সরকারের পতন হলেও ভারতীয় আগ্রাসন থেমে নেই। একের পর এক অসম চুক্তি, আন্তঃসীমান্ত নদীর ওপর দখলদারিত্ব এবং সাম্প্রতিক বন্যা প্রমাণ করে আধিপত্যবাদী ভারতীয় নীতি বাংলাদেশের মানুষ, অর্থনীতি কোনটারই পক্ষে না। তাই আমাদের বারবার এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোজাম্মেল হক বলেন, বাংলাদেশের লাখো মানুষের এই দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থার কারণ ভারত সরকারের সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব আর বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন। যে দুটিই বিদ্যমান মুনাফাভিত্তিক আর্থসামাজিক ব্যবস্থার ফলাফল। এর বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে বাংলাদেশ ভারতের সাধারণ মানুষের বন্ধুত্ব অবিচ্ছেদ্য।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হেল বুবুন, চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী রিমঝিম, দুর্যোগ ব্যবস্থপনা বিভাগের শিক্ষার্থী আবুল কালাম আজাদ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: বন্যা ২০২৪
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছে : মাহদী আমিন

উৎসবমুখর পরিবেশে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

গভীর নলকূপ থেকে উদ্ধার শিশুটি মারা গেছে

আবারও স্বর্ণের দামে রেকর্ড

এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাইয়ে ১১ সদস্যের কমিটি

ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যে অভিযোগ দিল জামায়াত

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে তরুণদের নেতৃত্ব জরুরি : মেয়র ডা. শাহাদাত

গভীর নলকূপে পড়া সেই শিশু উদ্ধার

১৪ বছর পর ঢাকা থেকে করাচি যাবে বিমানের ফ্লাইট 

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির ৩ শতাধিক নেতাকর্মী

১০

খেলাপিদের নাম-ছবি প্রকাশ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিতে চায় ব্যাংকগুলো

১১

সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুত : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১২

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় জামায়াত নেতার বাড়িতে আগুন

১৩

নির্বাচিত হলে এক মাসের মধ্যে কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণা করা হবে : আসিফ

১৪

ক্রেতা দেখলেই মরার ভান ভেড়ার, দামে রেকর্ড

১৫

‘রাজনীতি আমার ইবাদত, এটা দিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ নেই’

১৬

শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত

১৭

দেশে ফিরে কোন ব্যাটে খেলবেন সাকিব, জানালেন তারই বন্ধু

১৮

ফোনের চার্জিং পোর্টে এই ৫টি জিনিস কখনোই লাগাবেন না

১৯

৫ দফা দাবিতে বারির শ্রমিকদের বিক্ষোভ 

২০
X