

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ১০টি ইলেকট্রিক বাইক নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে অ্যাপভিত্তিক বাইসাইকেল সেবা ‘জোবাইক’।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১১টায় চাকসু ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান এ উদ্ধোধন করেন।
চাকসু ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এই সাইকেল সেবা আগামী ৪০দিন পরীক্ষামূলকভাবে চলবে। পরে ক্যাম্পাসে ১০০টি বাইসাইকেল আনবে জোবাইক কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ক্যাম্পাস এলাকায় চলবে জোবাইক। আপাতত ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্ট, জীববিজ্ঞান অনুষদ, ২ নম্বর গেট ও চাকসুর সামনে পার্কিং পয়েন্ট থাকবে। ইবাইকে মিনিট প্রতি দেড় টাকা এবং প্যাডেল বাইকে মিনিট প্রতি ৮০ পয়সাসহ প্রতিবার আনলক করতে খরচ হবে প্রায় দেড় টাকা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, ‘জোবাইক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি দারুণ সংযোজন। আমাদের শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে অনেক বেশি উপকৃত হবে এবং তারা এসব সাইকেল সঠিকভাবে ব্যবহার করবে। জোবাইক আগেও ক্যাম্পাসে এসেছিল। তবে এবার যেন পূর্বের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে জোবাইক ফেরত যেতে না হয়।’
জোবাইকের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মেহেদী রেজা বলেন, ‘২০২৩ সালে শিক্ষার্থীরা জুবাইক আনার জন্য পিটিশন করে। এরপর থেকে আমরা অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছি। অবশেষে আজকে আমরা জোবাইক নিয়ে ক্যাম্পাসে এসেছি। আগে শুধু প্যাডেল সাইকেল থাকলেও এবার আমরা ইলেকট্রিক বাইক সংযোজন করেছি।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের চাহিদা থাকলে আগামী ৪০দিন পর ১০০টি প্যাডেল বাইকেলের সঙ্গে ৫০টি ইবাইক-ও সংযোজন করা হবে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় ২০টি পার্কিং পয়েন্ট থাকবে। এসব পয়েন্টেই সাইকেল রাখতে হবে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য চমৎকার জো-ক্যাফে তৈরি করা হবে।’
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ২০১৯ সালের দিকে প্রথমবারের মতো জোবাইক সেবা চালু হয়েছিল। তবে বিভিন্ন কারণে প্রায় পাঁচ বছর ধরে সেবাটি বন্ধ ছিল। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা এটি পুনরায় চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে ক্যাম্পাসে আজ আবার জোবাইকের যাত্রা হলো।’