ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক হয়ে জেলহাজতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মো. জালাল উদ্দিন। এ ঘটনার পর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমামতির চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এডিশনাল রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, সাময়িকভাবে বরখাস্তকালীন সময়ে ইমাম জালাল উদ্দিন মূল বেতনের এক-তৃতীয়াংশ জীবিকা নির্বাহ ভাতা পাবেন। পাশাপাশি তিনি বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতাসহ আইন অনুমোদিত অন্যান্য ভাতা প্রাপ্ত হবেন।
এ বিষয়ে বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল জানান, ইমামকে তার চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তখন তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে। অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে আইনানুযায়ী তিনি তার চাকরি ফিরে পাবেন।
উল্লেখ্য, মুফতি জালাল উদ্দিন বাকৃবির কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমামতির পাশাপাশি একটি মহিলা মাদ্রাসার পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তার বিরুদ্ধে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নিজেই ইমামের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত সোমবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার পরে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শেষমোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়াও ইমামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে মহিলা মাদ্রাসা স্থাপন করে মেয়েদের সঙ্গে অনৈতিক কার্যকলাপ, দোকানে বাকি রেখে টাকা পরিশোধ না করা, সপ্তাহে তিনদিন ছুটি কাটানোসহ নানা অভিযোগ করেন মুসল্লিরা।
মন্তব্য করুন