বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৫, ০৩:২৭ পিএম
আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৫, ০৩:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শোলাঙ্কির খোলামেলা স্বীকারোক্তি

শোলাঙ্কি রায়। ছবি : সংগৃহীত
শোলাঙ্কি রায়। ছবি : সংগৃহীত

রুপালি পর্দার জগতে লুকিয়ে আছে অনেক ভয়াবহ সব সত্য। কখনো সেগুলো প্রকাশ পায়, আবার কখনো পায় না। তারই ধারাবাহিকতায় টলিউডে এখন ‘দেখতে সুন্দর’ হওয়ার নামে চলছে অস্ত্রোপচারের মারাত্মক প্রতিযোগিতা। প্লাস্টিক সার্জারি, লিপ ফিলার, নোস জব যেন আজকের নায়িকাদের অলিখিত চাবিকাঠি। আর এই ভয়াবহ প্রবণতার বিরুদ্ধে এবার প্রকাশ্যে সরব হলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শোলাঙ্কি রায়। সৌন্দর্যের নামে দেহে ছুরি-কাঁচির দাপট নিয়ে তার করা সাহসী মন্তব্য এরই মধ্যে ঝড় তুলেছে বিনোদনপাড়ায়।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘অনেকেই বলেন আমার মুখ টিভির তুলনায় সিনেমায় দেখতে খারাপ লাগে। আসলে মুখে তো কখনো কিছু করাইনি, ইনজেকশন নিইনি। তাই হয়তো!’

তিনি আরও বলেন, আমি যেহেতু চিরকালই রোগা, তা নিয়েও নানা কটাক্ষ শুনতে হয়েছে আমাকে। এতটাই যে, এক সময় আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরে যায়। পারিবারিক অনুষ্ঠানেও যাওয়া বন্ধ করে দিই। ‘অনুষ্ঠানে গেলেই অনেকে জিজ্ঞেস করতেন আমি এত রোগা হয়ে গেছি কেন। যেন এটা কোনো নতুন ব্যাপার! কিন্তু আমি তো ছোটবেলা থেকেই এমন।’ তবে সবচেয়ে অপমানজনক অভিজ্ঞতার কথাও এদিন অকপটে শেয়ার করেন তিনি। একবার এক পরিচালক তাকে সরাসরি পরামর্শ দেন ব্রেস্ট সার্জারির।

এ বিষয়ে শোলাঙ্কি বলেন, ‘নায়িকা হতে গেলে একটু ক্লিভেজ থাকা দরকার’। এই কথাটা শুনে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। যদিও আমি যথেষ্ট ম্যাচিওর ছিলাম, তাই কথাটা এড়িয়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলাম। কিন্তু ভাবুন তো, এই কথাটা যদি কোনো নতুন বা কম বয়সী মেয়ে শুনত! কতটা ভেঙে পড়ত সে।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আজও সেই ঘটনা মাথায় গেঁথে আছে। প্রভাব তো ফেলেছিলই, না হলে এতদিন পরও এটা নিয়ে বলতাম না। বাইরে থেকে শুনলেই একরকম লাগে; কিন্তু ভেতরে ভেতরে যে কী যন্ত্রণা হয়, সেটা শুধু মেয়েরাই বোঝে।’

তার এই স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়; বরং ইন্ডাস্ট্রির নীরব যন্ত্রণার এক জোরালো প্রতিবাদস্বরূপ হয়ে উঠেছে গোটা নেট দুনিয়ায়।

কালবেলা/এমএ/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২১ দিনে জাবির মেডিকেল সেন্টার থেকে উধাও সাড়ে ১৯ হাজার ওষুধ

প্রবাসী ছেলের জন্য ওষুধ পাঠিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না মায়ের

‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে নদীপাড়ে চলে আসেন, বাঁধ ভাঙছে’

প্রকল্পের অব্যয়িত প্রায় ৪২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

ভারতে পাচারের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৬৫ কচ্ছপ জব্দ, সালদা নদীতে অবমুক্ত

মহাকবি কায়কোবাদ স্মরণে নবাবগঞ্জে ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

সারাদেশে খাল খননের নামে বালু-মাটি লুটপাট করা হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

গোয়ালন্দে ওয়ে ব্রিজ স্কেলের গার্ডার ভেঙে বন্ধ ওজন কার্যক্রম, ভোগান্তিতে ট্রাকচালকরা

নড়াইল জেলা ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র আহ্বায়ক জাকারিয়া, সদস্যসচিব সাগর

স্কুলে যাওয়ার পথে ১০ম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা

১০

নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে ববি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১১

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

১২

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

১৩

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

১৪

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

১৫

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

১৬

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

১৭

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

১৮

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

১৯

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

২০
X