কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

যে ভুলে মরতে পারে টবের গাছ

প্রতীকী ছবি।
প্রতীকী ছবি।

ইটপাথরের নগরজীবনে সবুজের ছোঁয়া পেতে ছাদবাগান, বারান্দা ও ঘরের বিভিন্ন জায়গায় নানারকম গাছের সমাহার ঘটে। নানা কারণে এসব জায়গায় সব সময় গাছ ভালো রাখা সম্ভব হয়ে ওঠে না। যেসব ভুলের কারণে গাছ মরে যেতে পারে, তেমনই কিছু সাধারণ সমস্যা ও তার সমাধানও রয়েছে।

গাছের জাত ও উচ্চতাভেদে টব নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভুল গড়নের টব গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পানি নিষ্কাশনের সুবিধা আছে, এমন মাটির টব বেছে নেওয়া ভালো। তবে ফার্ন, এলোকেশিয়ার মতো যেসব গাছ একটু আর্দ্র বা ভেজা মাটি পছন্দ করে, চাইলে সেগুলো প্লাস্টিক টবে রাখা যায়।

অন্যদিকে ক্যাকটাস, সাকুলেন্টজাতীয় রসালো কাণ্ডের গাছের জন্য মাটির টবই উত্তম। আবার অর্কিডের জন্য বেছে নিতে হবে বহু ছিদ্রযুক্ত প্লাস্টিকের ঝুড়ির মতো বিশেষ টব। এ টবে মাটির কোনো প্রবেশাধিকার নেই! শুধু নারকেলের ছোবড়াতেই অর্কিড গাছ বসিয়ে দিতে হয়। অন্য টবের মতো পানি না ঢেলে শুধু স্প্রে করলেই হয়।

ছায়াবান্ধব ইনডোর গাছ স্বভাবতই সরাসরি সূর্যের আলো পছন্দ করে না। রোদে গাছের পাতা সাদাটে হয়ে আসতে পারে। এমনকি পুড়েও যেতে পারে। তাই ঘরের জানালা কোন দিকে মুখ করে আছে, সেই বিবেচনায় রেখে গাছের অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে। পূর্ব ও উত্তরমুখী জানালার চেয়ে দক্ষিণ ও পশ্চিমের জানালা সরাসরি সূর্যের আলো বেশি পড়ে। ফলে ক্যাকটাস, কাঁটামুকুটের মতো গাছগুলো সরাসরি সূর্যের আলোয় রাখতে পারলেও বাকি গাছ সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখাই ভালো।

পরম যত্নে তৈরি করা প্রিয় গাছগুলোর সতেজ সবুজ স্বাভাবিক চেহারা পাল্টে দিতে পারে পোকামাকড়ের আক্রমণ। ছত্রাকের সংক্রমণ আর মিলিবাগের আক্রমণই হয় বেশি। পোকা ও ছত্রাকের সংক্রমণ ঠেকাতে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার যাবে জৈব বালাইনাশক নিম তেল। প্রতি ২৫০ মিলিলিটার পানির সঙ্গে ১০ মিলিলিটার নিম তেল মিশিয়ে স্প্রে করলেই হয়।

আগাম আক্রমণ ঠেকাতে প্রতি ১৫ দিন পরপর নিম তেলের মিশ্রণটি স্প্রে করতে হয়। এ ছাড়া দেখামাত্রই হলুদ হয়ে আসা পাতা ও মরা ডালপালা ছাঁটাই করে দিতে হবে। ভেজা টিস্যু পেপার দিয়ে নিয়মিত গাছের পাতায় জমে থাকা ধুলা পরিষ্কার করে দিতে হবে। তাহলে বাসা বাড়ির টবে লাগানো গাছ আর অকালে মরবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আটক

কর্মস্থলে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল নারীর

ঘানায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

জাতীয় পতাকায় কালেমা যুক্ত করে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২

শেষ ষোলোর মহারণের আগেই ফরাসি শিবিরে দুঃসংবাদ

খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দ্বিতীয় দিনেও তেহরানে ছুটছে মানুষ

পায়রায় ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

জুলাই নিয়ে কটাক্ষ / শাওন-মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ভারত থেকে আসা ১৬ ড্রাম ইউএসপি কেমিকেল জব্দ করল বিজিবি

মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

১০

ভাঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, বিলুপ্ত কমিটি

১১

খামেনির জানাজায় আসা তীর্থযাত্রীদের জন্য ৫ হাজারের বেশি স্কুল খুলে দিল ইরান

১২

‘অ্যান্টি টেররিজম’ ও ‘কাউন্টার টেররিজমের’ হচ্ছে নতুন নাম, বাড়ছে দায়িত্ব

১৩

শত কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

১৪

দেশে বাড়ছে জ্বালানি তেলের মজুত

১৫

পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে নতুন বার্তা, কোন গ্রেডের বেতন কত

১৬

ঘর পোড়ার মধ্যে আলু পোড়া

১৭

ফুটবল খেলা নিয়ে তর্ক, ঘুসিতে যুবকের নাকের হাড় ভাঙার অভিযোগ

১৮

ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া, সামনে সুইজারল্যান্ড

১৯

আজকের স্বর্ণের বাজারদর

২০
X