কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৫, ১২:১৩ পিএম
আপডেট : ১৫ মে ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দেশের জনগণ বারবার ফ্যাসিবাদের উত্থান দেখতে চায় না : আলী রীয়াজ

অধ্যাপক আলী রীয়াজ। ছবি : সংগৃহীত
অধ্যাপক আলী রীয়াজ। ছবি : সংগৃহীত

দেশের জনগণ বারবার ফ্যাসিবাদের উত্থান দেখতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ বারবার ফ্যাসিবাদের উত্থান দেখতে চায় না। তারা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বসবাস করতে চায়, যেখানে সবার নাগরিক ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত থাকবে। এই আকাঙ্ক্ষা থেকেই তারা জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গ করে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের এই সংলাপের উদ্যোগ জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতপার্থক্য স্বাভাবিক বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক দলের উচিত জনগণের কাছে যাওয়া। তবে কিছু কিছু বিষয়ে পারস্পরিক ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকা দরকার। বিশেষ করে সংস্কারের বিষয়ে দলগুলোর প্রতিশ্রুতি দৃঢ় থাকা অপরিহার্য।

জুলাই-আগস্টে মানুষ ক্ষোভের সঙ্গে প্রত্যাশারও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এমন একটি দেশ চায়, যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। ঐকমত্য কমিশন আলোচনার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক কাঠামোর পথরেখা তৈরির কাজ করছে। এই উদ্যোগের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।

ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার।

এ ছাড়াও বাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দলটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় ফোরামের সদস্য নিখিল দাস, জনার্দন দত্ত নান্টু, শম্পা বসু, মনীষা চক্রবর্ত্তী, জুলফিকার আলী, আহসান হাবিব বুলবুল, খালেকুজ্জামান লিপন, আবু নাঈম খান বিপ্লব ও গাজীপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব রাহাত আহম্মেদ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রোনালদোই কি পর্তুগালের সবচেয়ে বড় বোঝা?

শ্বশুরবাড়ির এলাকায় চুরি করতে গিয়ে আটক জামাতা

রেললাইনে উল্টে গেল ট্রাক, কুড়িগ্রামের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ

সাভারে ‘ঘুষের নামে লাখ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন ও আত্মসাতের’ অভিযোগ ভিত্তিহীন

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখার পক্ষে ট্রাম্প

দেশের ভোকেশনাল স্কুলগুলোতে জাপানি ভাষা শেখানো হোক

অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে বাদীপক্ষের ওপর হামলা, থানায় আশ্রয় নিয়েও মেলেনি রক্ষা

ঘর থেকে ডেকে উঠানে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

শেষ কবে গোলের দেখা পেয়েছিলেন পর্তুগালের মহাতারকা?

রিজার্ভ চুরি / সাবেক গভর্নরসহ ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা মিলেছে

১০

কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংয়ে বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রাখল ডিআইইউ

১১

লড়াই করেও অভিষেকটা রাঙাতে পারল না উজবেকিস্তান

১২

জি৭ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘আমি-ই বস’ মন্তব্যে হাসির রোল

১৩

প্রয়াত বাবার নামে এলো মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণপত্র, সংসদে আবেগাপ্লুত ছেলে

১৪

দুপুরের মধ্যে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরেও সতর্কতা

১৫

একই পরিবারের ৩ মাদককারবারি আটক, বাড়ি জ্বালিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা 

১৬

যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে বন্দুক হামলা, গুলিতে নিহত ১

১৭

মালদ্বীপের সামুদ্রিক পর্যটনে বাংলাদেশি মোশারফ হোসেনের সাফল্যের দীপ্ত পদচারণা

১৮

গুদামে আটকা ৩৪০ টন চাল / মেয়াদোত্তীর্ণ ডিওতে খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত উপকারভোগীরা

১৯

‘লোকসানের আলু’ মহাসড়কে, হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবরোধ

২০
X