

গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (মনুস্ক) দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট ব্যানএফপিইউ-১ সদস্যদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক দেওয়া হয়েছে। গত ৭ আগস্ট এ পদক দেওয়া হয়। নারী কন্টিনজেন্টটি গত বছরের ২৭ মে থেকে সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি বিনতৌ কেইতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন মনুস্ক পুলিশ কম্পোনেন্টের প্রধান এবং ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জেনারেল অ্যালাইন বামেনৌ। সভাপতিত্ব করেন ব্যানএফপিইউ-১, রোটেশন-১৭-এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার পুলিশ সুপার কাজী রুবাইয়াত রুমী। তার নেতৃত্বে ১৭৮ শান্তিরক্ষী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ৬৮ জন নারী জাতিসংঘ পদকে ভূষিত হন। অনুষ্ঠানে মনুস্ক কিনশাসার বিভিন্ন শাখায় কর্মরত ২৩ জন ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসারকে (আইপিও) ব্যানএফপিইউ-১-এর সঙ্গে যৌথভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির ভাষণে বিনতৌ কেইতা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের পেশাদারত্ব, দায়িত্ববোধ এবং শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি নারী শান্তিরক্ষীদের অনবদ্য অবদানের জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। সেইসঙ্গে নারী শান্তিরক্ষীদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে জাতিসংঘের ‘জেন্ডার ইকুয়ালিটি উইমেন্স এমপাওয়ারমেন্ট’ সংক্রান্ত ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
জেনারেল অ্যালাইন বামেনৌ ব্যানএফপিইউ-১-এর অপারেশনাল দক্ষতা, জনসম্পৃক্ততা এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম বিশেষভাবে তুলে ধরেন। তিনি পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট, জয়েন্ট পেট্রোল এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের সফল বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্যারেড মার্শালের দায়িত্ব পালন করেন অপারেশন্স অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল। প্যারেড কমান্ডার ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার। আইপিও সদস্য এবং মনুস্কর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।