কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৫, ০৪:৫৬ এএম
আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৫, ০৭:৪৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ হবে বসবাস ও বিনিয়োগের স্বর্গ: আব্দুল মুক্তাদির

অ্যাপোলো ক্লিনিকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত
অ্যাপোলো ক্লিনিকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ হবে বসবাস ও বিনিয়োগের স্বর্গ বলে মনে করেন বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির।

শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অ্যাপোলো ক্লিনিকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, অনেকে ভাবে বাংলাদেশে হয়তো আমরা আর থাকতে পারব না, বিনিয়োগ করতে পারব না, কিংবা এখানে উন্নতি সম্ভব নয়। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, অচিরেই বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ যেখানে আমরা জীবনযাপন করতে পারব নিরাপদে, ব্যবসা করতে পারব নিশ্চিন্তে, সন্তানদের ফিরিয়ে আনতে পারব গর্বের সঙ্গে। এই দেশ ইনশাআল্লাহ পৃথিবীর এক স্বর্গরাজ্যে রূপ নেবে।

আব্দুল মুক্তাদির মনে করেন, বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী এবং উদ্যোক্তাদের অবিরাম প্রচেষ্টা। তার ভাষায়, বাংলাদেশ একটি তরুণ দেশ। এই উদ্যোক্তা মনোভাব, তরুণদের উদ্যম এবং আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আমাদের বহুদূর নিয়ে যাবে। আমরা যদি বিশ্বাস রাখি, কাজ করে যাই—তাহলে দ্বি-অঙ্কের প্রবৃদ্ধি কেবল কল্পনা নয়, বাস্তবতা হয়ে উঠবে।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমি বিনিয়োগকারীদের বলব—হতাশ হবেন না, এই দেশকে ছেড়ে যাবেন না; বরং বিনিয়োগ বাড়ান। বাংলাদেশ এখন যে রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তার সুফল খুব দ্রুতই দৃশ্যমান হবে। এই দেশকে গড়ে তুলতে আমাদের দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করতে হবে।

বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি জ্বালানি সংকটকে চিহ্নিত করেন। তবে উদ্যোক্তাদের দৃঢ় সংকল্পের ওপর আস্থা রেখে তিনি বলেন, হ্যাঁ, জ্বালানি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। কিন্তু যদি সমাধান দ্রুত না-ও আসে, আমরা উদ্যোক্তারাই বিকল্প খুঁজে বের করব। কোনো প্রতিবন্ধকতাই আমাদের থামাতে পারবে না। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বয়সে প্রৌঢ় হয়ে গেছি। তবু আমি আশ্বস্ত বোধ করি, কারণ জানি—বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ হাতে আছে। উদ্যোক্তারা কাজ করে যাচ্ছেন, তরুণরা এগিয়ে আসছে। তাই আমি নিশ্চিত—এই দেশ হবে একদিন বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ দেশগুলোর একটি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নবম স্কেলে সরকারি কর্মচারীর প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য যে সুবিধা

ডিআরইউ নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ : ৬ শর্তে উত্তীর্ণ ৬৯২৬৫ প্রার্থী

‘বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে বিচলিত নয় জমিয়ত’

নতুন রেকর্ড গড়ে স্বর্ণের ভরি আড়াই লাখ টাকা ছাড়াল 

মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ : জামায়াত আমির

স্বামীর নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নামলেন নাসরিন আউয়াল মিন্টু

শহীদ ওয়াসিম স্মৃতি সংসদ ঢাকা কলেজের সদস্য সংগ্রহ সপ্তাহ শুরু

অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন? এখনই যে কাজ না করলে বিপদ

বিস্কুটে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে কেন? অবাক করা কারণ জেনে নিন

১০

সারা দেশে বহিষ্কার করা নেতাকর্মীদের তথ্য জানাল বিএনপি

১১

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে ভারতে

১২

আইসিসির বোর্ড সভায় একটি দেশ পক্ষে ছিল বাংলাদেশের! 

১৩

তারেক রহমানের জনসভায় নাশকতার শঙ্কা নেই : এসএমপি কমিশনার

১৪

সিলেটে পৌঁছেছেন তারেক রহমান

১৫

আরও শক্তি বাড়াল মোস্তাফিজের সাবেক দল

১৬

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার

১৭

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিচ্ছে পাকিস্তান

১৮

সিলেটের পথে তারেক রহমান

১৯

সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান উপদেষ্টা ফরিদার

২০
X