শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

টেকসই নগরায়নে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি 

জাতীয় প্রেস ক্লাবে দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র- ডিএসকে কনসোর্টিয়াম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা। ছবি : কালবেলা
জাতীয় প্রেস ক্লাবে দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র- ডিএসকে কনসোর্টিয়াম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা। ছবি : কালবেলা

স্মার্ট ও টেকসই নগরায়নের লক্ষ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নারী ও শিশুসহ সকলের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলেছেন, নগরীর কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের ভালো থাকাকে সমানভাবে প্রভাবিত করে। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ অর্জনে পরিবেশবান্ধব কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। সুপারিশসমূহ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহার ও অঙ্গীকারে অন্তর্ভুক্তি করা অতীব জরুরি বলে মনে করেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে দুঃস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র- ডিএসকে কনসোর্টিয়াম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন তারা।

বস্তিবাসী অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি হোসনে আরা বেগম রাফেজার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বিশেষজ্ঞ মতামত দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ইজাজ আহমেদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান। কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওর (কাপ)-এর নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার রেবেকা সান-ইয়াত, বারসিকের প্রজেক্ট ম্যানেজার ফেরদৌস আহমেদ, ডিএসকে কো-অর্ডিনেটর মো. রকিবুল ইসলাম, ইয়্যুথ প্রতিনিধি শাহিনুর আক্তার, বস্তিবাসী নেত্রী ফাতেমা আক্তার, কাপের প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহবুল হক, ইনসাইটসের নিগার রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ঢাকা শহরের দূষণের দিকে থেকে পৃথিবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ জায়গা দখল করে আছে। আর এর অন্যতম ভুক্তভোগী বস্তিবাসীসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। জনস্বাস্থ্যের দিক থেকে এই শহরের প্রান্তিক মানুষেরা সবচেয়ে বেশি প্রান্তিক। এটা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।

অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, রাজধানীর ৭০ শতাংশ বর্জ্য সংগৃহীত হয়, তাহলে বাকি ৩০ শতাংশ বর্জ্য কোথায় যায়? এই বর্জ্যগুলোকে কাজে লাগাতে পারি। বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদন করা যেতে পারে। আমাদের কৃষি জমিতে জৈব উপাদানের পরিমাণ এক শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছে, এটি আমাদের জন্য মারাত্মক উদ্বেগের বিষয়। কৃষি জমির উর্বরতা ফিরিয়ে আনার জন্য কৃষি জমিতে জৈব উপাদান ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমি খালেদা জিয়ার একজন ভক্ত : উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

চায়ের দোকানের জন্য বিএনপি নেতাকে হত্যা করে ‘শুটার মিশুক’!

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ

পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি

কিশোরগঞ্জে আবাসিক হোটেলের লিফটে বরসহ আটকা ১০, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার

বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ!

শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

নুরকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল

পরীক্ষার্থীর কান থেকে বের করা হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আটক ৫১

যে কারণে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

১০

১২০ বছর বয়সি বৃদ্ধার সঙ্গে নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর কুশল বিনিময়

১১

অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল নোয়াখালী

১২

আধুনিক শরীয়তপুর গড়তে সবার দোয়া চাই : নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

১৩

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতি নজরুল ইসলামের সতর্কতা

১৪

বগুড়ার জিয়াবাড়ি সাজছে নতুন রূপে

১৫

‘মুস্তাফিজের জায়গায় লিটন বা সৌম্য হলে কি একই সিদ্ধান্ত নিত বিসিসিআই?’

১৬

তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত : মির্জা ফখরুল

১৭

প্রিয় মাতৃভূমির বদনখানি মলিন হতে দেব না : শিক্ষা সচিব

১৮

বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান 

১৯

বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক চলছে

২০
X