কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:৫৯ পিএম
আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এবার শিবির সেক্রেটারির কড়া বার্তা

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম ও সংগঠনটির লোগো। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম ও সংগঠনটির লোগো। ছবি : সংগৃহীত

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, যারা ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের মিশনে নেমেছেন, সাবধান হয়ে যান। নতুবা পরিণতি সামাল দিতে পারবেন না।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

কালবেলার পাঠকদের জন্য ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলামের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের জন্য ছাত্র-জনতা জীবন দেয়নি।

অর্থের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন করা হচ্ছে। এমনকি হত্যা মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এমন অসংখ্য তথ্য ও ডকুমেন্টস আমরা পেয়েছি। এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। যারা এই প্রজন্মের পালস বুঝতে পারছেন না, তারা বোকামি করছেন। যারা ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন মিশনে নেমেছেন, সাবধান হয়ে যান। রিয়েলি সাবধান হয়ে যান। নতুবা পরিণতি সামাল দিতে পারবেন না।

একাকী নীরবে আন্দোলনের দিনগুলো মনে হলে এখনো রক্তকণিকা হিম হয়ে আসে। স্তব্ধ হয়ে যাই। আমাদের ভাইদের রঞ্জিত ক্ষতবিক্ষত চেহারা, একটু পরপরই সারা দেশ থেকে আহত কিংবা শাহাদাতের সংবাদ। কী এক বিভীষিকাময় ছিল সে দিনরাত্রির ক্ষণগুলো! কী করব আমরা, কী করা উচিত? সামনে অগ্রসর হবো, না কি পিছিয়ে যাব? ময়দান আর ভাবনার লড়াইতে ক্লান্ত হয়ে যেতাম। কিন্তু শহীদের কথা মনে করে আবার সবাই উদ্যম ফিরে পেতাম।

আমরা যারা সেদিন শহীদ হিসেবে কবুল হইনি। আমাদের শরীরে হাজারো শহীদের রক্ত লেগে আছে। আমরা সেই রক্তের ঘ্রাণ অনুভূব করি। নিজেদের আমরা আসলে শহীদই মনে করি। তাই আমাদের সামনে কোনো অন্যায় হলে আমরা শাহাদাতের লেবাসে সেখানে আঘাত হানব। যেখানেই ফ্যাসিবাদী চিন্তা ও কাজ হবে, সেখানেই আমরা প্রলয়ের মতো আঘাত হানব।

ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বেফাঁস মন্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে প্রত্যাহার

ইসলামে পিতার সম্মান

সন্তানের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স দেখতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রে ভোজেনিয়ার মা

ইরানের তেল খাতই হবে চুক্তির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা

বাবা নেই, তবুও প্রতিদিন আছেন

উজানের ঢল ও বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বাড়ছে

সুখবর দিলেন সামান্থা

কুমারখালী-খোকসায় থাকতে হলে বিএনপি নেতাদের কথা শুনতে হবে: পুলিশকে এমপি ফরিদা

বাংলাদেশের কাছেও ৭ গোল খেয়েছিল ব্রাজিল!

পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ফেরত দিলেন জেলেনস্কি

১০

বিটিআইয়ের সিইও হিসেবে যোগ দিলেন মাহবুবুর রহমান

১১

প্রথমার্ধেই জাপানের দাপট, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের শঙ্কায় তিউনিসিয়া

১২

রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, আটক ১০

১৩

‘সবার আগে পরিবার’  / ইরানের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই বেলজিয়াম শিবিরে দুঃসংবাদ

১৪

এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক: রাশেদ খাঁন 

১৫

মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি; কমিটিও বিলুপ্ত

১৬

মাদরাসা ছাত্রীকে নিয়ে উধাও শিক্ষক

১৭

কেমন থাকবে আজকের ঢাকার আবহাওয়া

১৮

সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মারা গেছেন

১৯

গোলের আনন্দ থেকে সবুজের বার্তা: বিশ্বকাপ ঘিরে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

২০
X