

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোয় আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, ‘আমি রিটেন জবাব দিয়েছি। আর আজ আমি ইসিতেও একটা জবাব নিয়ে এসেছি। আমার প্রচারণার মাঠে থাকার কথা। কিন্তু বাধ্য হয়েই আমি আজকে ঢাকায় এসেছি। কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রশাসন এবং পুলিশের যতটা নিরপেক্ষ থাকার কথা ততটা নিরপেক্ষ নয়।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
অভিযোগ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা করা হয়েছে। তাদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, মাথা ফাটানো হয়েছে। বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। সো, আমি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে এসেছি যে, যেহেতু আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আমি বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে আমাকে লড়াই করতে হচ্ছে। প্রশাসন যদি এখানে একদম স্ট্রেইট নিরপেক্ষ না থাকে। তাহলে আরেকটা ৫ আগস্টের মতন কিংবা ২০১৮ সালের নির্বাচনের মতন আরেকটা নির্বাচন যদি হয়, বাংলাদেশে তার পরিণতি ভালো হবে না। কারও জন্যই ভালো হবে না। সো এই বিষয়গুলো কমিশনকে অবহিত করেছি।’
তিনি বলেন, আজকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবজার্ভারদের সঙ্গে আমার বৈঠক আছে। আমি তাদেরও বিষয়গুলো অবহিত করব।’
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি খুব স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, অন্তত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কারচুপির খেলা কোনো রাজনৈতিক দল যেন করার স্পর্ধা না দেখায়। আমি সব দলকেই আহ্বান জানাব, নির্বাচনের মাঠে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন যাতে হয় সেই জন্য মানুষ ১৫ বছর লড়াই করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যে যেই দলেই ছিলাম, আমাদের অবস্থান থেকে লড়াই করেছি। সো, আরেকটা কারচুপির নির্বাচন আরেকটা ম্যানিপুলেটেড ইলেকশন বাংলাদেশে আমরা হতে দেব না, ইনশাল্লাহ।’
মন্তব্য করুন