

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে ১২ দলীয় জোট। তাদের বিশ্বাস, প্রস্তাবিত বাজেট গভীরভাবে পর্যালোচনা ও যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গত ১৭ বছরে দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া নানা অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট থেকে জাতিকে মুক্ত করতে সক্ষম হবে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত বাজেটের পর এক যৌথ বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা, জনকল্যাণ এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও কার্যকর বাস্তবায়ন করতে পারলে এ বাজেট সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি দেশীয় শিল্প, কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা ও বিকাশে বাজেটে গৃহীত উদ্যোগসমূহ প্রশংসার দাবিদার। তবে বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বাজেটের সুফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সরকারকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের সার্বিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিকদের গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জোটপ্রধান ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব ড. গোলাম মহিউদ্দিন একরাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. শামসুদ্দিন পারভেজ, ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান এম.এ. বাশার, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিম, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাসেম, পিএনপির চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন এবং নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল মান্নান।