কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৫৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘কতিপয় উপদেষ্টার কারণে আওয়ামী সুবিধাভোগীরা বহাল তবিয়তে’

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। পুরোনো ছবি
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। পুরোনো ছবি

কতিপয় উপদেষ্টার কারণে আওয়ামী সুবিধাভোগী ও ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তারা বহাল তবিয়তে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।

শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, গণঅভ্যুত্থান ১ বছরের মাথায় কালচার ফ্যাসিস্টদের শেখ মুজিব প্রেম দেখে আমি অবাক হয়েছি। যতটুকু বুঝলাম, এদের প্রশাসনে বসে থাকা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তারা ও ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তি রসদ জুগিয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলাম, জাপাকে মাঠে নামিয়েছে ভারতীয় ‘র’ এবং স্বতন্ত্রভাবে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে নামানো হবে অথবা জাপার ওপর ভর করবে আপা!

তিনি বলেন, আমি কেন এই সরকারের কতিপয় উপদেষ্টার সমালোচনা করি? কারণ আমি জানি, কতিপয় উপদেষ্টার কারণে আওয়ামী সুবিধাভোগী ও ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তারা বহাল তবিয়তে। অর্থাৎ শুধু হাসিনার পতন হলেও পুরো ফ্যাসিবাদী কাঠামো এখনো বিদ্যমান। আপনি এই দেশের পরিবর্তনের লক্ষ্যে পুঁথিগত সংস্কার করে কী করবেন? হাসিনার কর্মকর্তারা আপনার সংস্কার বাস্তবায়ন করে দিবে? হাসিনার লোকগুলোকে সর্বত্র বসিয়ে রাখা হয়েছে, প্রমোশন দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় কোনো পুঁথিগত সংস্কার বাস্তবায়ন হবে না।

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১ বছরের মাথায় কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দাপট দেখেছেন। পরের বছর এরা মিছিল দিবে, তখন? আরে, শেখ মুজিবের শাসন ছিল হাসিনার থেকেও ভয়ংকর। তার অবৈধ কাজের বৈধতা দান ও অপরাধের সাম্রাজ্যকে রক্ষা করা জন্য সে একটা আলাদা বাহিনী পর্যন্ত তৈরি করেছিল। শেখ মুজিবের শাসন কেমন ছিলো ঐসময়কার জাসদের নেতাদের থেকে জেনে নিয়েন। রক্ষী বাহিনীর সন্ত্রাসীরা ট্রাকের পেছনে দড়ি দিয়ে জীবন্ত মানুষকে বেঁধে ট্টাক চালাতো। এতে পুরো শরীরের চামড়া ছুলে যেত। এই শেখ মুজিবের বন্দনা করে আবারও সেই শাসন ফিরিয়ে আনতে চান? আহা বাকশালীরা!

কালবেলা/এফএফ/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার

ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দিনব্যাপী শাখা দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সেতুর পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ 

শোকেরও ছুটি নেই

স্বামী ছিলেন জেলে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণে স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা

ব্যাডমিন্টনের মাধ্যমে প্রবাসে বন্ধন ও সম্প্রীতির বার্তা

‘ইকোফিল’ উদ্যোগ চালু করল এনার্জিপ্যাক

টানা উত্তেজনায় পাঁচ সপ্তাহের সর্বোচ্চে তেলের দাম

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে দাবি / এমপি নজরুলের নির্দেশে হামলা হয়েছিল ড্রাইভারের ওপর

বিশ্ববাজারে দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চে স্বর্ণের দাম

১০

এলডিসি উত্তরণে প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর সুপারিশ ইকোসকের

১১

থালাপতি বিজয়ের ‘জন নায়াগান’ / ৪৮ ঘণ্টায় বিক্রি ১৫ কোটি টাকার টিকিট

১২

জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার

১৩

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

১৪

ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে রদবদল করলেন জেলেনস্কি

১৫

রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

১৬

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান আসামি রিমান্ডে

১৭

১৭ দিন ধরে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী, দিশাহারা বাবা-মা

১৮

আসিয়ানের পক্ষে রাশিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেন লাভরভ

১৯

ব্রাহ্মণপাড়ায় বেহাল সড়কে সীমাহীন দুর্ভোগ

২০
X