

নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের মাটিতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে সেটি আমলে নেয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এরই মধ্যে টাইগারদের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডের নাম ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।
তবে আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে নির্ধারিত ভেন্যুতে বা দেশে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর ঘটনা নতুন নয়। তথ্য ভারতীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিউআইওএন বলছে, এর আগেও বেশ কয়েকবার একাধিক দেশ বিভিন্ন কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ভারত (চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫), অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৯৯৬ ওয়ানডে বিশ্বকাপ), ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড (২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ) এবং জিম্বাবুয়ে (২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ)।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫
২০২৫ সালের মার্চে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানায় ভারত। ফলে ভারতের ম্যাচগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আয়োজন করা হয়। পরে ভারত সেই টুর্নামেন্টে শিরোপাও জেতে।
২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ইংল্যান্ডের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি না হওয়ায় ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে। তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ
দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। সে সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সরকার জিম্বাবুয়ের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের প্রশাসনের বিরোধিতা করছিল। অন্যদিকে, কয়েক মাস আগে নাইরোবিতে বোমা হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড কেনিয়ায় খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। উভয় দলই তাদের প্রতিপক্ষকে ওয়াকওভার দেয়।
১৯৯৬ ওয়ানডে বিশ্বকাপ
শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ ও টুর্নামেন্টের আগে দেশটিতে বোমা হামলার ঘটনার জেরে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলঙ্কায় গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথভাবে আয়োজিত সেই টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শ্রীলঙ্কার ম্যাচ ছেড়ে দিতে হয়। শ্রীলঙ্কা পয়েন্ট পায় এবং শেষ পর্যন্ত প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে।
মন্তব্য করুন