

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান। তাতেই সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জিতে অজিদের হোয়াইটওয়াশ করেছে স্বাগতিকরা। সেই সঙ্গে সফরকারীদের লজ্জার রেকর্ডও উপহার দিয়েছেন সালমান আগারা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটা অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ ব্যবধানে হার।
এর আগে ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের কাছে ১০০ রানে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। এতদিন এটাই ছিল তাদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। আজ সেই রেকর্ড ছাপিয়ে আরও বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা উপহার দিল পাকিস্তান।
অথচ, এই পাকিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া এমন এক দল পাঠিয়েছে, যা রীতিমতো অপমানের সামিল! কেননা, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়া ৭ খেলোয়াড়কে নিয়ে পাকিস্তানে খেলতে আসে অজিরা। যাকে অস্ট্রেলিয়ার ‘বি’ দল বলা হয়েছিল। বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক সিরিজে এমন দুর্বল দল পাঠানোকে অপমানজনক হিসেবে দেখছে খোদ পাকিস্তানের ক্রিকেটবোদ্ধারাই। ক্রিকেট বিশ্লেষক ও লেখক ওমাইর আলাভি তো বলেই দেন যে, আমি এটাকে পাকিস্তান ক্রিকেট ভক্তদের জন্য অপমানজনক হিসেবে দেখছি।
তবে সেই অপমানের প্রতিশোধটাই যেন আজ দারুণভাবে নিয়ে নিলেন বাবর-আফ্রিদিরা। লাহোরে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আগা। শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। ১০ রানে থামেন ফখর জামান। পরের উইকেটে নেমে মাত্র ৫ রান করেন দলনেতা সালমান আগা।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৬৯ রান। মাত্র ৩৭ বলে ৫৬ রানে আউট হন সাঈম আইয়ুব। এরপর খাজা নাফি ১২ বলে ২১, শাদাব খান ১৯ বলে ৪৬ ও মোহাম্মদ নেওয়াজ ৪ বলে ৫ রান করেন। আর শেষ পর্যন্ত খেলে যান বাবর আজম। অপরাজিত থাকেন ৫০ রানে। ৪ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন ফাহিত আশরাফ। আর পাকিস্তানের ইনিংস থামে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে।
২০৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে এক মোহাম্মদ নেওয়াজের কাছে ধরাশয়ী অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা। ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রানের খরচায় একাই ৫ উইকেট নেন নেওয়াজ। শেষ পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন মার্কাস স্টোয়নিস। ২২ রান করেন ক্যামেরন গ্রিন। আর ১৪ রান আসে জশ ফিলিপসের ব্যাট থেকে। বাকি ব্যাটারদের কেউই দশের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। ফলে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থামে মাত্র ৯৬ রানে।
মন্তব্য করুন