স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৪, ০৩:০০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

হারের দায় হিসেবে ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই দেখছেন শান্ত

নাজমুল হোসেন শান্ত। ছবি : সংগৃহীত
নাজমুল হোসেন শান্ত। ছবি : সংগৃহীত

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দ্বিতীয় রাউন্ডে পা রাখার মূল কৃতিত্ব নিঃসন্দেহে বোলারদের। গ্রুপ পর্বে জেতা তিনটি ম্যাচের তিনটিতেই টাইগারদের বোলিং ইউনিট ভালো করেছে, আর ব্যর্থ হয়েছে ব্যাটাররা। আশা ছিল সুপার এইট পর্বে ব্যাটাররা ভালো করবে তবে দুঃখজনক ভাবে কোন পরিবর্তন নেই।

সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারের পর আজকে ভারতের বিপক্ষেও একই ফল। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেও বিদায়টাও তাই বাংলাদেশের জন্য নিশ্চিত বলা চলে। বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত অবশ্য এই হারের দায় হিসেবেও ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দেখছেন।

সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার (২২ জুন) ভারতের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল টাইগাররা। অ্যান্টিগুয়ায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯৬ রান করে ভারত। জবাবে ভারতের সাথে এক প্রকার লড়াই না করেই হার মেনেছে বাংলাদেশ।

৫০ রানের বড় হারের পর অবশ্য বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতাই কারণ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘ ম্যাচের শুরুতে ভারতকে ব্যাটে পাঠানোর সময় ভেবে ছিলাম ১৬০-১৭০ এ আটকাতে চেয়েছিলাম। তবে তারা অনেক ভাল ব্যাটিং করেছে তাদের কৃতিত্ব এটা দিতেই হেবে।’

অ্যান্টিগুয়ার আবহাওয়া এবং বাতাসের সমস্যা নিয়ে শান্ত বলেন, ‘আমি মনে করি না এটি একটি সমস্যা, খেলোয়াড়রা এটিতে অভ্যস্ত। আমরা ব্যাট হাতে তেমন কিছু দেখাতে পারিনি।’

ভারতের দেওয়া রেকর্ড এই টার্গেটে শান্তর আক্ষেপ পাওয়ারপ্লে কাজে না লাগানোর। তিনি বলেন, ‘১৯০ রানের তাড়ায় প্রথম ছয় ওভারে আমাদের আরও বেশি কিছু দেখানো দরকার ছিল।’

নিজের ব্যাটিং নিয়েও আক্ষেপ আছে শান্তর। তিনি বলেন, ‘অবদান রাখার চেষ্টা করি তবে খেলা শেষ করে আসার দরকার ছিল।’

ব্যাটারদের সমালোচনা কররেও টাইগার দুই বোলারের প্রশংসা করেন শান্ত। তিনি বলেন, 'এই টুর্নামেন্টে তানজিম সাকিব দুর্দান্ত বল করেছে এবং রিশাদের জন্যও খুশি, আমরা এমন একজন বোলার অনেক দিন ধরে খুঁজছি।'

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার ১২৫ বছরপূর্তি / তরুণ নেতৃত্বে গুরুত্ব ও নাগরিক শিক্ষা জোরদারের আহ্বান

ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় মার্কিন সেনা হতাহতের সংখ্যা জানাল পেন্টাগন

সেই জামায়াত এমপির দ্বিতীয় বিয়ের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি

জুলাই আন্দোলনে শহীদ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘পূর্ণাঙ্গ তালিকা’ প্রকাশ করল সাআস

যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব বেড়ে ৪.৯ শতাংশ

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন

মধ্যপ্রাচ্যে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে নাগরিকদের পরামর্শ মালদোভার

সিলিমপুর আবাসিক এলাকা এড়িয়ে সড়ক নির্মাণের পরামর্শ সিডিএর

নতুন হামলায় মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস

১০

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত আটক

১১

৬ দশকের পুরোনো ঈদগাহ দখলে নিলেন প্রভাবশালী

১২

‘মোড়কের পেছনে লুকোচুরি বন্ধ হোক, সামনে আসুক সত্য’

১৩

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর আগ্রহ নেই ইসরায়েলের: স্মোট্রিচ

১৪

ইউনিফর্ম পরে আ.লীগের মনোনয়ন জমা: অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর

১৫

আসিয়ানের বৈঠকে যোগ দিতে ম্যানিলায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬

ঢাবির দুই অনুষদে নতুন ভারপ্রাপ্ত ডিন নিয়োগ

১৭

ফিলিস্তিনি চিকিৎসকের মুক্তির দাবিতে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ

১৮

গায়ানায় ফেরি ডুবিতে মৃত্যু ২৭, নিখোঁজ ৮৩

১৯

ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩

২০
X