

দলের চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে সেটি উপেক্ষা করেই দলের প্রয়োজনে মাঠে নামেন নেইমার। খেলেছেন পুরো ৯০ মিনিটই। চোটাক্রান্ত নেইমারকে এদিন থামাতে পারেননি কেউ। গোল করার পাশাপাশি, করিয়েছেনও। আর তাতে তার দল সান্তোস ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্পোর্তকে। এই জয়ে দলকে অবনমন অঞ্চল থেকে উপরে তুলে আনলেন নেইমার।
গত ২০ নভেম্বর বাঁ পায়ের হাঁটুতে মেনিস্কাস ইনজুরিতে পড়েন ৩৩ বছর বয়সী নেইমার। অস্ত্রোপচার শেষে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে শেষ হয়ে যেত মৌসুম। তবে এবার ঝুঁকি নিয়েই মাঠে নামেন নেইমার। সান্তোসের মেডিকেল দল নেইমারের খেলার বিপক্ষে থাকলেও তাদের কথা শুনেননি তিনি।
ইনজুরি নিয়েই স্পোর্ত শিবিরে ভীতি ছড়ান নেইমার। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে দলকে লিড এনে দেন তারকা এই ফুটবলার। বক্সে গিলহের্মের পাস পেয়ে চার ডিফেন্ডারের বাধা অতিক্রম করে গোল আদায় করে নেন তিনি। স্পোর্ত ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে নিজেদেরই ভুলে দ্বিতীয় গোল হজম করে। গোলমুখে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদেরই জালে বল জড়ান লুকাস কাল। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখে সান্তোস। ৬৭তম মিনিটে গিয়ে সাফল্যের দেখা পায় তারা। বাঁ কর্নার থেকে নেইমারের ক্রস ছয় গজ দূরত্বে পেয়ে হেডের সাহায্যে জালে জড়ান জোয়াও শমিদ। ৯০তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন নেইমার। ততক্ষণে অবশ্য ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয় নিশ্চিত করে নেয় সান্তোস। যোগ করা ৬ মিনিটে কোনো ব্যবধান গড়তে পারেনি স্পোর্ত। সান্তোসও আর কোনো গোলের দেখা পায়নি।
মন্তব্য করুন