

ভারতের আসামের গুয়াহাটির লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এলজিবিআই) এক বাংলাদেশি নারীকে আটক করা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং তার কাছে একটি জাল পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বেঙ্গালুরু থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে গুয়াহাটি পৌঁছান ওই নারী। বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহের সময় তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ওই নারী নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক বলে পরিচয় দেন বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে অধিকতর তদন্তের জন্য আজারা থানার বর্ডার শাখা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মানবপাচার চক্রের সহায়তায় তিনি ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেশে প্রবেশের আগে তাকে জাল পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হয়েছিল।
পুলিশ সূত্র জানায়, আটক নারীর কাছে থাকা পরিচয়পত্রে নাম ছিল ‘পূজা দাস’ এবং সেখানে পশ্চিমবঙ্গের একটি ঠিকানা উল্লেখ ছিল। কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস, প্রতারণার মাধ্যমে ওই পরিচয়পত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল।
এদিকে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) কর্মকর্তারাও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। পরিচয় যাচাইয়ের সময় তার স্থায়ী ঠিকানা বাংলাদেশের ঢাকার কাছাকাছি নারায়ণগঞ্জ জেলায় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী তদন্তকারীদের জানান, তিনি গুয়াহাটিতে অবস্থানরত তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে গিয়েছিলেন।
প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাকে আসামের গোয়ালপাড়া জেলার একটি আটককেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।