শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:৪৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরান-রাশিয়ার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রকে হটাচ্ছে তুরস্ক

তুরস্ক, ইরান, সিরিয়া ও রুশ পতাকা। ছবি : সংগৃহীত
তুরস্ক, ইরান, সিরিয়া ও রুশ পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

বাশার আল আসাদের পতনের মধ্য দিয়ে এরই মধ্যে সিরিয়াতে প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছে পরাশক্তি রাশিয়া ও ইরান। এর মধ্যেই অঞ্চলটিতে আরেক ধাক্কা খেতে যাচ্ছে আরেক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র। আর উভয় পরাশক্তির এমন দুর্দশার পেছনে আছে তুরস্ক। সিরিয়ার তুর্কি আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় এবার আটঘাট বেঁধে নেমেছে আঙ্কারা।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী ওয়াইপিজির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মানবিদের দখল নিয়েছে তুর্কিপন্থি সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি।

মানবিজ শহরটি তুরস্কের দক্ষিণ সীমান্ত থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা ইউফ্রেটিস তথা ফুরাত নদীর পশ্চিমে ওয়াইপিজির সবচেয়ে বড় ঘাঁটি ছিল। কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স তথা এসডিএফ এর নিয়ন্ত্রণে আছে, যারা উত্তর ও পূর্ব সিরিয়ার একটি বড় অংশ শাসন করছে। এর মধ্যে সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু তেলক্ষেত্র ও প্রায় ৯০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

২০১৬ সালে আইএস-এর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে যুদ্ধ করে মানবিজ দখল করে ওয়াইপিজি। মানবিজের পর ওয়াইপিজির দখলে থাকা রাক্কা শহরের দিকে অগ্রসর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েরেল জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে আইনি নোটিশ

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিএনপি নেতার আবেদন

এশিয়ার সর্বপ্রথম মেডিকেল অ্যানাটমি লার্নিং অ্যাপ ভার্চুকেয়ারের উদ্বোধন করলেন সাকিফ শামীম

ছাত্রদল ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির আঁতুড়ঘর : মান্নান

মনোনয়নপত্র নিয়ে যে বার্তা দিলেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল

গাইবান্ধায় ১৪৪ ধারা জারি

খালেদা জিয়া কখনো জোর করে ক্ষমতায় থাকেননি : খায়রুল কবির

জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে : সেলিমুজ্জামান

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, সন্দেহ রয়ে গেছে : মঞ্জু

১০

ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

১১

নবম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন নিয়ে যা জানাল কমিশন

১২

ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

১৩

গ্যাস যেন সোনার হরিণ, এলপিজি সংকটে নাভিশ্বাস

১৪

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বহ্নিশিখা : কবীর ভূঁইয়া

১৫

মুসাব্বির হত্যা নিয়ে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া

১৬

ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত হচ্ছে শিবিরের দ্বারা : ডা. আউয়াল

১৭

আইসিসিকে পাঠানোর বিসিবির নতুন চিঠিতে যা আছে

১৮

জবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার

১৯

মুদ্রা ছাপাতে প্রতি বছর ব্যয় ২০ হাজার কোটি টাকা : গভর্নর

২০
X